সৌদি আরবে ফ্লাইট বন্ধ, ভোগান্তিতে ৯ হাজারের বেশি যাত্রী
সৌদি
আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে
পড়েছেন অন্তত ৯ হাজারের বেশি
যাত্রী। এ পরিস্থিতিতে ৬১টি
ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। এর মধ্যে ২২টি
সরাসরি ফ্লাইট এবং ৩৯টি ট্রানজিট
ফ্লাইট।বেসামরিক
বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ
তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, যাত্রীদের এই
হিসাবের মধ্যে রিয়াদ এয়ারের ফ্লাইটের যাত্রীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কারণ,
এয়ারলাইনসটি এখনো যাত্রীসংখ্যার তথ্য
জানায়নি। তথ্য পাওয়া গেলে
মোট যাত্রীর হিসাব হালনাগাদ করা হবে।স্থগিত
হওয়া ২২টি সরাসরি ফ্লাইটের
মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯টি, রিয়াদ এয়ারের
৭টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৪টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ২টি ফ্লাইট রয়েছে।অন্যদিকে,
স্থগিত হওয়া ৩৯টি ট্রানজিট
ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি, এমিরেটসের ৯টি, কাতার এয়ারওয়েজের
৫টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৫টি, সালাম এয়ারের
৩টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের
১টি ফ্লাইট রয়েছে।এর
আগে বেবিচক জানিয়েছিল, ৫১টি ফ্লাইট স্থগিত
হওয়ায় ৫ হাজার ৪১৮
জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, স্থগিত ফ্লাইটের পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীর সংখ্যাও
বেড়েছে।হামলার পর ফ্লাইট চলাচলে বিধিনিষেধসৌদি
আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে একের পর এক
হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ফ্লাইট চলাচলে এ বিঘ্ন সৃষ্টি
হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরও রয়েছে। এসব ঘটনার পর
বিমান চলাচল স্থগিত ও বিভিন্ন বিধিনিষেধ
আরোপ করা হয়।এ
পরিস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত
ঢাকা–রিয়াদ–ঢাকা রুটের ফ্লাইট
চলাচল স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস
২১ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত করেছে।ফ্লাইট
স্থগিত থাকায় যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির
পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের
সিদ্ধান্তের ওপর।