ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বেড়েছে। অঞ্চলটিতে চলমান সংঘাতের কারণে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ থাকায় বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রিনিচ মান সময় রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৬৩ সেন্ট বা ০.৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৯১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৭২ সেন্ট বা ০.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৩২ ডলারে উঠেছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী যুদ্ধের কারণে তেল সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের বিষয়টি এখনো বাজারে প্রভাব ফেলছে। অঞ্চলটি থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ধীরে ধীরে বাড়ার কিছু লক্ষণ দেখা গেলেও সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগই আপাতত দাম বাড়ার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাব অপরিশোধিত তেলের দামের ওপরও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মার্কিন ঘাঁটি সরানোর হুঁশিয়ারি ইরানের, না হলে হামলা

মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের ভূখণ্ড থেকে সরিয়ে দিতে আরব দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। তা না হলে এসব দেশের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো তৎপরতা চালানো হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ‘চরম প্রতিশোধের’ মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসির রাজনৈতিক উপপ্রধান জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি এ হুঁশিয়ারি দেন।বিবৃতিতে তিনি বলেন, আরব দেশগুলোর নিজেদের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে দিয়ে তাদের ঘাঁটিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়াই সবচেয়ে ভালো হবে। বিশেষ করে কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানের নাম উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো দেশ তাদের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দিলে সেখান থেকেই পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।এর পরপরই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তেহরানের এই পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা আঘাতের সক্ষমতা এবং সম্ভাব্য সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোহাম্মদ ইসলামি আল জাজিরাকে বলেন, ওয়াশিংটন কূটনীতিতে বিশ্বাসী নয়—এমন ধারণা ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান।তিনি বলেন, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হলে ইসরায়েলে হামলার প্রস্তুতি রাখা। আগের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতা দেখা গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা আবার যুদ্ধ চাইলে ইরান আরও শক্তিশালী জবাব দেবে। এদিকে ইরানের কুহেস্তায় একটি বিয়েবাড়িতে মার্কিন হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন মোহাম্মদ ইসলামি। ঘটনাটিকে ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, এখনই তাদের থামানো ও শাস্তি দেওয়ার উপযুক্ত সময়।

মার্কিন ঘাঁটি সরানোর হুঁশিয়ারি ইরানের, না হলে হামলা

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি নিবে ইরান

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে বিভিন্ন সেবার বিপরীতে ফি আদায়ের বিধান রেখে একটি খসড়া আইনের ধারা অনুমোদন করেছে ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিশন।রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও অগ্রগতি নিশ্চিতকরণে কৌশলগত পদক্ষেপ আইনের তৃতীয় ধারা অনুমোদন করেছে কমিশন।কমিশনের মুখপাত্র হাসান কাশকাভি জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি পাওয়া দেশগুলোর মালিকানাধীন জাহাজ থেকে এসব ফি নেওয়া হবে। ইরানি মুদ্রা রিয়ালে অথবা তেহরান নির্ধারিত অন্য কোনো মুদ্রায় অর্থ পরিশোধ করতে হবে।তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনের আওতায় সামুদ্রিক, পরিবেশগত, বিশেষ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ, বীমা, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সেবার জন্য ফি নেওয়া হবে।কাশকাভির ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির উপকূলবর্তী দেশগুলোর অধিকারও প্রস্তাবিত আইনে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশন গ্রহণের পর ওমানের অবস্থানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই প্রণালিটি নিয়ে নতুন করে বিরোধ তৈরি হয়েছে।সূত্র: জিও নিউজ ও আইআরএনএ

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি নিবে ইরান

ইরান ইউরোপে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার কথা ভাবছে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও তীব্র হলে ইউরোপে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছে ইরান। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় বুলগেরিয়া ও সাইপ্রাসের মার্কিন সামরিক স্থাপনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। ইরানি সরকারের দুটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা কার্যত ভেস্তে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে বর্তমানে ওয়াশিংটনের কোনো আলোচনা চলছে না। নতুন করে আলোচনা শুরুরও কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।এর মধ্যেই বুধবার ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য, বাণিজ্যিক বিনিময় ও আর্থিক লেনদেন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনাযুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। ট্রাম্প বারবার দাবি করছেন, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি খোলা রয়েছে এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচল করছে। তবে বাস্তবে প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা এখনো খুব কম।চলতি সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। ইরানের এক সামরিক মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, প্রণালি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা জাহাজগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।মিত্রদেরও সতর্ক করছেন ট্রাম্পমধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সহযোগিতা না করার অভিযোগে দীর্ঘদিনের মিত্রদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। ওমানকে তাঁর মধ্যপ্রাচ্য নীতির পথে বাধা না দেওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। ইউরোপে মার্কিন সামরিক স্থাপনা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হলে সংঘাতের পরিধি আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়ে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ও সিএনবিসি

ইরান ইউরোপে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার কথা ভাবছে

ইয়েমেনে ৪৮ ঘণ্টায় ২০০ হুথি যোদ্ধা নিহত

ইয়েমেনে গত ৪৮ ঘণ্টায় দুই শতাধিক হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। তাঁদের বেশির ভাগই দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তাইজ প্রদেশে সংঘর্ষ ও ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে আল আরাবিয়া।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের অধিকাংশ হুথিদের আল-সামাদ ব্রিগেডের সদস্য।এদিকে ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে হুথিরা বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ইয়েমেন ফিউচার। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইজ শহরের পশ্চিমে আল-বারহ ফ্রন্টে নতুন করে সেনা ও যোদ্ধা পাঠিয়েছে হুথিরা।নতুন করে পাঠানো সদস্যদের মধ্যে হুথিদের বিশেষ বাহিনী, কমান্ডো এবং সামরিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যোদ্ধারাও রয়েছেন বলে জানা গেছে।হুথিরা আরও যোদ্ধা সংগ্রহের চেষ্টা করছে বলেও বিভিন্ন সূত্রের বরাতে খবর পাওয়া গেছে। সানার সূত্রগুলো জানিয়েছে, নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকার কয়েকটি কারাগার থেকে শত শত বন্দিকে মুক্তি দিতে শুরু করেছে গোষ্ঠীটি। বিনিময়ে তাঁদের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার শর্ত দেওয়া হচ্ছে।সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাদা, হাজ্জাহ ও সানা প্রদেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে প্রায় ৮৫০ বন্দি ও আটক ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অপরাধ ও মাদকসংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও রয়েছেন। পাশাপাশি দামার প্রদেশে আরও প্রায় ১ হাজার ৪০০ বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। এর বিনিময়ে তাঁদের বিরুদ্ধে থাকা মামলা প্রত্যাহার অথবা আইনি অবস্থান নিষ্পত্তির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কিছু বন্দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে হুথি বাহিনীতে নিয়োগ ও আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। এমনকি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে কারাগারে থাকা কয়েকজনের দেনা পরিশোধের বিনিময়ে তাঁদের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।সূত্র: আল আরাবিয়া

ইয়েমেনে ৪৮ ঘণ্টায় ২০০ হুথি যোদ্ধা নিহত

তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হতে পারে আরও কয়েকটি দেশ

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোটে আরও কয়েকটি দেশকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের দৃষ্টিভঙ্গি হলো- জোটটি তিন দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রয়োজনে আরও দেশকে এর আওতায় আনা।গত শুক্রবার তিন দেশ ‘মক্কা জয়েন্ট ডিটারেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে। চুক্তির আওতায় কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।মিসর হতে পারে পরবর্তী সদস্যসম্ভাব্য নতুন সদস্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে মিসর। হাকান ফিদান মিসরকে জোটের ‘স্বাভাবিক অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, কিছু কারিগরি বিষয় সমাধান হলে কায়রো এই জোটে যোগ দিতে পারে।তবে চুক্তির সামরিক বাধ্যবাধকতা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে মিসর। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক, ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি এবং লিবিয়াসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ইস্যুতে নিজেদের স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ বজায় রাখতে চায় দেশটি।কাতার-কুয়েত নিয়েও আলোচনাজোট সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে কাতার ও কুয়েতের নামও গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, তিন প্রতিষ্ঠাতা দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় এই দুই দেশের জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি আশা প্রকাশ করেছেন, সৌদি আরব ছাড়া অন্য সব উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য—কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত—জোটে যোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেবে।এ ছাড়া আজারবাইজান, সিরিয়া ও জর্ডানও ভবিষ্যতে তুলনামূলক দ্রুত এই জোটে যুক্ত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, জোটটি এখনই পূর্ণাঙ্গ ন্যাটো-ধাঁচের আঞ্চলিক সামরিক জোটে পরিণত হবে-এমনটা নিশ্চিত নয়। বরং প্রতিটি দেশ নিজেদের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক স্বার্থ বিবেচনা করে ধাপে ধাপে এতে যোগ দিতে পারে।আঞ্চলিক নিরাপত্তায় প্রভাবমিসর ও কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ জোটে যোগ দিলে এর রাজনৈতিক প্রভাব, আঞ্চলিক গ্রহণযোগ্যতা ও সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।তবে সম্ভাব্য সদস্য দেশগুলোর ভিন্ন ভিন্ন জাতীয় স্বার্থ এবং আঞ্চলিক বিরোধ জোটটিকে একটি ঐক্যবদ্ধ সামরিক ব্লকে পরিণত করার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হতে পারে আরও কয়েকটি দেশ