রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি মোছার চেষ্টা, আয়াসসহ চারজন রিমান্ডে
রাজধানীর
সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে আঁকা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুরের প্রতিকৃতি মোছার চেষ্টার ঘটনায় করা মামলায় ‘রাষ্ট্র
সংলাপ ফোরাম’-এর সদস্যসচিব আ
ন ম আয়াসসহ চারজনকে
রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।রোববার
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
জশিতা ইসলামের আদালত আ ন ম
আয়াস ও সাকিবুল হাসানের
তিন দিন করে এবং
সুজন মিয়া ও মারজিয়া
খন্দকার রিমির দুই দিন করে
রিমান্ড মঞ্জুর করেন।শাহবাগ
থানার তদন্ত কর্মকর্তা চার আসামিকে আদালতে
হাজির করে ১০ দিনের
রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের
জন্য পৃথক মেয়াদে রিমান্ড
মঞ্জুর করেন।এর
আগে শনিবার শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
প্রতিকৃতিতে কালি দিয়ে মোছার
চেষ্টা করেন আ ন
ম আয়াসের নেতৃত্বাধীন একটি দল। এ
সময় পুলিশ বাধা দেয়। পরে
ঘটনাস্থল থেকে তাঁদের আটক
করা হয়।এ
ঘটনায় শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউল হক বাদী হয়ে
মামলা করেন। মামলায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে
আঘাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।যেভাবে শুরুগত
৫ অক্টোবর রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর ঢাকা
দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)
ফুটপাতসংলগ্ন দেয়ালে ১০ জন বিশিষ্ট
ব্যক্তির প্রতিকৃতি আঁকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম,
জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র
বিদ্যাসাগর।পরে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামের একটি পেজ থেকে
প্রতিকৃতিগুলোর সমালোচনা করা হয়। এর
পরদিন আ ন ম
আয়াসের নেতৃত্বে একটি দল দেয়ালে
আঁকা প্রতিকৃতিগুলো মোছার চেষ্টা করে বলে প্রতিবেদনে
উল্লেখ করা হয়েছে।এ
ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত
চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার
অনুমতি দিয়েছেন। মামলার অভিযোগগুলো বিচারাধীন; আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে এগুলোকে অভিযোগ
হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।