ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ইবির আট অনুষদের ৩৬ শিক্ষার্থী পেলেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড

ইবির আট অনুষদের ৩৬ শিক্ষার্থী পেলেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড

একাডেমিক কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আটটি অনুষদের ৩৬ শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে মেডেল, সনদ ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান। এ ছাড়া আটটি অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।প্রতিটি অনুষদে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী এবং যৌথভাবে সর্বোচ্চ ফল করা শিক্ষার্থীদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।কোন অনুষদে কতজনডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের নয়জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। তাঁরা হলেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ আল-ফিড, আলী আহসান মোহাম্মদ জুবায়ের, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. শরিফুল ইসলাম ও নাঈমুর রহমান; আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আহসান ভূঁইয়া এবং দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের নাজমুল ইসলাম ও নুমান আল হাদী।কলা অনুষদ থেকে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের মোছা. তানজিলা খাতুন, মো. হাফিজুল ইসলাম ও জেবা রহমান পুরস্কার পেয়েছেন।সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের চার শিক্ষার্থী হলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের মো. মুনতাকিম রহমান, অর্থনীতি বিভাগের মো. টোগর আলী ও জেসিয়া খাতুন এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের মোছা. শিরাজাম মনিরা।আইন অনুষদ থেকে ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সাদিয়া, রফিয়া খাতুন ও মোছা. হাফসা খানসান সন্ধানী ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ থেকে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সুমি খাতুন ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম; ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রত্যশী সানা, মো. সিরাজুল ইসলাম ও অনিন্দ্য সাহা এবং হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের মেহেদী হাসান সিকদার পুরস্কার পেয়েছেন।বিজ্ঞান অনুষদ থেকে পরিসংখ্যান ও তথ্য বিজ্ঞান বিভাগের মো. মেহেদী হাসান লিমন ও মো. মাহমুদুল ইসলাম এবং গণিত বিভাগের আরিফুল ইসলাম ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ থেকে ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের মোছা. মোহনা রহমান নাইস, জান্নাতুন নাঈম ও নাফিজ রহমান সায়েম; ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. আহসান হাবীব এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের মো. মাহফুজুর রহমান পুরস্কার পেয়েছেন।জীববিজ্ঞান অনুষদ থেকে ফার্মেসি বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মো. আব্দুল রাশাড় এবং বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. মেহেদী হাসান ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।স্বীকৃতির পাশাপাশি এটি নতুন দায়িত্বঅ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, এ স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা, যোগ্যতা ও পরিশ্রমের মূল্যায়ন। একই সঙ্গে এটি তাঁদের জন্য নতুন দায়িত্বও।তিনি বলেন, ভবিষ্যতে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে দেশ, দেশের মানুষ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে হবে।উপাচার্য আরও বলেন, ২০২২ সালে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন থাকাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিনস অ্যাওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। তৎকালীন প্রশাসনের সহযোগিতায় পরে তা বাস্তবায়িত হয়।

নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব’ তুলে ধরা হলো ঢাবির সেমিনারে

ইসলামী শিক্ষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষা: বর্তমান সমাজের সংকট ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে বক্তারা নৈতিক অবক্ষয়, মূল্যবোধের সংকট ও বিভক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। ব্যক্তি ও সমাজজীবনে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শিক্ষার গুরুত্বের পাশাপাশি জ্ঞান অর্জন, নিয়মিত বই পড়া এবং অর্জিত জ্ঞান দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুশিল্পীদের কণ্ঠে পবিত্র কোরআনের সূরা আলাকের অংশবিশেষ অর্থসহ তিলাওয়াত করা হয়। পরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভানেত্রী সাবিকুন্নাহার তামান্নার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সেমিনারের উদ্বোধন হয়। এরপর সেমিনার উপলক্ষে প্রকাশিত ক্রোড়পত্র পাঠ ও নাতে রাসূল (সা.) পরিবেশন করা হয়।সেমিনারে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইতিহাসবিদ, গবেষক ও লেখক জিয়াউল হক। তিনি বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান এবং নিয়মিত বই পড়ার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন। অর্জিত জ্ঞান লেখালেখির মাধ্যমে প্রকাশ এবং সমাজের বিভিন্ন অসংগতি নিয়ে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।পরে কবি আল মাহমুদের ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ কবিতা আবৃত্তি করা হয়। এরপর একটি কোরাস গান পরিবেশন করা হয়।‘ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব ও ইতিহাস’ বিষয়ে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী। তিনি শহীদ আব্দুল মালেকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের বিভক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে উত্তরণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।তিনি বলেন, শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান অর্জন নয়; অর্জিত জ্ঞান মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো এবং নৈতিক ও আদর্শিক মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলাও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।সেমিনারের সমাপনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার শিক্ষা বিভাগীয় সম্পাদিকা সানিয়া তারান্নুম অর্নি। তিনি নৈতিক চরিত্র গঠনে সীরাতে রাসূল (সা.) অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।সানিয়া তারান্নুম অর্নি বলেন, নৈতিক চরিত্র গঠন ছাড়া জ্ঞান মানুষের জন্য পূর্ণাঙ্গ কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। তাই শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা ও আদর্শের সমন্বয় প্রয়োজন। ইসলামী শিক্ষার মাধ্যমে সততা, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শহীদ আব্দুল মালেকের মায়ের কাছে লেখা একটি চিঠি পাঠ করা হয়। চিঠি পাঠের সময় উপস্থিতদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এর মধ্য দিয়ে ইসলামী শিক্ষা, আদর্শ ও নৈতিকতার জন্য শহীদ আব্দুল মালেকের আত্মত্যাগের স্মৃতি স্মরণ করা হয়।

নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব’ তুলে ধরা হলো ঢাবির সেমিনারে

আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, হলে ভাঙচুরের অভিযোগ

রাজধানীর বকশীবাজারে সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া এলাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের পর সন্ধ্যায় শিবিরের নেতা-কর্মীরা এলাকা ছেড়ে গেলে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা মাদ্রাসার একমাত্র আবাসিক হল আল্লামা কাশগরী (রহ.) হলে প্রবেশ করেন। এ সময় হলের কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর এবং ফটকে তালা লাগানোর অভিযোগ ওঠে।মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওবায়দুল হককে মারধরের অভিযোগও পাওয়া গেছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল থেকে মাদ্রাসার সামনে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক দফায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং সাত থেকে আটটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে।অভিযোগ রয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিবিরের নেতা-কর্মীরা সরে যাওয়ার পর যুবদলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা হলে প্রবেশ করেন। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে শিবিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়। হলের শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।ফাজিল প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা মো. ইব্রাহীম বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে হলটি সাময়িকভাবে তালাবদ্ধ করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তা খুলে দেওয়া হবে।অন্যদিকে আলিয়া মাদ্রাসা শাখা ছাত্রশিবিরের নেতা আবদুল আলিম অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হলে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছেন, কক্ষ ভাঙচুর করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র বাইরে ফেলে দিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে এবং হলসংলগ্ন এলাকায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি সেমিনারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার জেরে বেলা ৩টার দিকে আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে প্রথম দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন।শিবিরের দাবি, দুপুরে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হলে ঢুকে তাদের সদস্যদের মারধর ও কয়েকটি কক্ষে তালা দেন। পরে শিবিরের নেতা-কর্মীরা তাদের বের করে দিলে আবারও সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।অন্যদিকে ছাত্রদলের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে শিবিরের নেতা-কর্মীরা হলের কয়েকটি কক্ষ দখলে রেখেছেন। মঙ্গলবার ছাত্রদলের একটি কক্ষে তালা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দ্বিতীয় দফার সংঘর্ষ শুরু হলে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে দুই পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। পুলিশ প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেলেও পরে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে।সংঘর্ষে শিবিরের প্রায় ২৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির ঢাকা মহানগর পূর্বের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক দাউদ খান। তার দাবি, আহত ফুয়াদ নামে এক কর্মীর মাথায় ১২টি সেলাই লেগেছে এবং তার অবস্থা গুরুতর।অন্যদিকে ছাত্রদলের নেতা সাদ চৌধুরী দাবি করেন, তাদের ৩০ জনের বেশি নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছাত্রদল ও যুবদলের দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে তিনি জানান।

আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, হলে ভাঙচুরের অভিযোগ

জবিতে ছাত্রদলের হামলা, জকসু ভিপিসহ শিবির-ছাত্রশক্তির নেতা-কর্মী আহত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি-সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইসলামী ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) এবং অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন জকসুর প্রতিনিধিরা।মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।জকসুর প্রতিনিধিদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, কেরাণীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং মেডিকেল সেন্টারের সেবার উন্নয়নসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরতে তারা প্ল্যাকার্ড নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের বাধা দেওয়া হয়। পরে কথা-কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে প্ল্যাকার্ড ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।এ ঘটনায় জকসুর সহসভাপতি (ভিপি) মো. রিয়াজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানা, আইনবিষয়ক সম্পাদক ফারুক, জবি ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহিন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, জকসুর প্রতিনিধিরা মিলনায়তনে প্রবেশের চেষ্টা করলে ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল তাদের বাধা দেন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. কে এ এম রিফাত হাসানকে ধাক্কা দেওয়ার দৃশ্যও ভিডিওতে দেখা যায়।জকসুর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম আরিফ ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন, আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তাদের অডিটোরিয়ামে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে।জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি তুলে ধরতে গিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং প্ল্যাকার্ড ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। তিনি ঘটনার বিচার এবং শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। অডিটোরিয়ামের সামনে ছেঁড়া প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করছিলেন জকসুর প্রতিনিধিরা।এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

জবিতে ছাত্রদলের হামলা, জকসু ভিপিসহ শিবির-ছাত্রশক্তির নেতা-কর্মী আহত