ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

কলকাতায় মসজিদের মাইকে আজান বন্ধ


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

কলকাতায় মসজিদের মাইকে আজান বন্ধ
ছবি: সংগ্রহ

কলকাতার বিভিন্ন মসজিদে জুমার আজান মাইকে দেওয়া বন্ধ এবং বিপুলসংখ্যক মসজিদের মাইক খুলে নেওয়ার অভিযোগে গভীর উদ্বেগ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির (ভারপ্রাপ্ত) আল্লামা আব্দুল কাইয়ুয সুবহানী মহাসচিব মাওলানা মূসা বিন ইযহার।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, মসজিদ থেকে মাইক অপসারণ এবং আজানের স্বাভাবিক প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।

নেতারা বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন থাকলে তা সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে প্রশাসনিক চাপ, ভয়ভীতি বা বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের শাসনের ওপর আঘাত।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, আজান মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নিদর্শন। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে আজানের অধিকার সংকুচিত করার কোনো উদ্যোগ মেনে নেওয়া যায় না। একই আইনের ক্ষেত্রে এক ধর্মের উপাসনালয়ে কঠোরতা এবং অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে শিথিলতা দেখানো হলে তা উদ্বেগজনক।

তারা সতর্ক করে বলেন, ধর্মীয় অধিকার হরণ, বৈষম্যমূলক আইন প্রয়োগ প্রশাসনিক দমন-পীড়নের মাধ্যমে কোনো সমাজে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না। ন্যায়বিচার সমঅধিকার নিশ্চিত করাই টেকসই সম্প্রীতির পথ।

বিষয় : কলকাতা আজান ধর্মীয় স্বাধীনতা নেজামে ইসলাম পার্টি

দৈনিক নবকাল

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কলকাতায় মসজিদের মাইকে আজান বন্ধ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কলকাতার বিভিন্ন মসজিদে জুমার আজান মাইকে দেওয়া বন্ধ এবং বিপুলসংখ্যক মসজিদের মাইক খুলে নেওয়ার অভিযোগে গভীর উদ্বেগ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির (ভারপ্রাপ্ত) আল্লামা আব্দুল কাইয়ুয সুবহানী মহাসচিব মাওলানা মূসা বিন ইযহার।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, মসজিদ থেকে মাইক অপসারণ এবং আজানের স্বাভাবিক প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।

নেতারা বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন থাকলে তা সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে প্রশাসনিক চাপ, ভয়ভীতি বা বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের শাসনের ওপর আঘাত।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, আজান মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নিদর্শন। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে আজানের অধিকার সংকুচিত করার কোনো উদ্যোগ মেনে নেওয়া যায় না। একই আইনের ক্ষেত্রে এক ধর্মের উপাসনালয়ে কঠোরতা এবং অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে শিথিলতা দেখানো হলে তা উদ্বেগজনক।

তারা সতর্ক করে বলেন, ধর্মীয় অধিকার হরণ, বৈষম্যমূলক আইন প্রয়োগ প্রশাসনিক দমন-পীড়নের মাধ্যমে কোনো সমাজে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না। ন্যায়বিচার সমঅধিকার নিশ্চিত করাই টেকসই সম্প্রীতির পথ।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
কলকাতায় মসজিদের মাইকে আজান বন্ধ
0:00 0:00
1.0x