সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পারিবারিক কলহের জেরে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে সুধা রানী মন্ডল (৫৫) নামের এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাতিজা রমেশ মন্ডলের (৩৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের মা কমলা রানী মন্ডল (৫০) ও চাচাতো ভাই সমীর কুমার মন্ডল (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর রমেশ মন্ডলকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার
সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে
শ্যামনগর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের
বাদঘাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত
সুধা রানী মন্ডল ওই
গ্রামের মধুসূদন মন্ডলের স্ত্রী। অভিযুক্ত রমেশ মন্ডল একই
গ্রামের শ্রীদাম মন্ডলের ছেলে। আহত সমীর কুমার
মন্ডল নিহত সুধা রানীর
ছেলে এবং রমেশের চাচাতো
ভাই।
প্রাথমিক
তথ্যমতে, পারিবারিক কলহের জেরে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে
রমেশ মন্ডল তাঁর মা, চাচি
ও চাচাতো ভাইকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি
কোপান। এতে তিনজনই গুরুতর
আহত হন।
পরে
পরিবারের সদস্যরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার
করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে
কর্তব্যরত চিকিৎসক সুধা রানী মন্ডলকে
মৃত ঘোষণা করেন।
আহত
সমীর কুমার মন্ডলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত কমলা
রানী মন্ডল শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত সুধা রানীর
মরদেহ ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
রাখা হয়েছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত রমেশ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে।