ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, ভাতিজা আটক

দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, ভাতিজা আটক

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে পারিবারিক কলহের জেরে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে সুধা রানী মন্ডল (৫৫) নামের এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ভাতিজা রমেশ মন্ডলের (৩৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের মা কমলা রানী মন্ডল (৫০) ও চাচাতো ভাই সমীর কুমার মন্ডল (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর রমেশ মন্ডলকে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে শ্যামনগর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদঘাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত সুধা রানী মন্ডল ওই গ্রামের মধুসূদন মন্ডলের স্ত্রী। অভিযুক্ত রমেশ মন্ডল একই গ্রামের শ্রীদাম মন্ডলের ছেলে। আহত সমীর কুমার মন্ডল নিহত সুধা রানীর ছেলে এবং রমেশের চাচাতো ভাই।প্রাথমিক তথ্যমতে, পারিবারিক কলহের জেরে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে রমেশ মন্ডল তাঁর মা, চাচি ও চাচাতো ভাইকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন।পরে পরিবারের সদস্যরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুধা রানী মন্ডলকে মৃত ঘোষণা করেন।আহত সমীর কুমার মন্ডলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত কমলা রানী মন্ডল শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত সুধা রানীর মরদেহ ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত রমেশ মন্ডলকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাই: বিএনপি নেতা শফিউল আলম কারাগারে

কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হত্যা মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় বিএনপি নেতা ও কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিউল আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।মঙ্গলবার কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিউল আজমের আদালতে মামলার ছয় আসামি হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত শফিউল আলম ও মাঈন উদ্দিন গাদ্দাফিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপর চার আসামিকে জামিন দেওয়া হয়।মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুলাই কুতুবজোমের বটতলী এলাকায় মানবপাচার ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি কাশেমকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় মহেশখালী থানা-পুলিশ।পুলিশ কাশেমকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় কাশেমের আপন চাচা, কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা শফিউল আলমের নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে।একপর্যায়ে ওই দল পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে হেফাজতে থাকা হাতকড়াপরা আসামি কাশেমকে ছিনিয়ে নেয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।এ ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শফিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়।মামলার পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন শফিউল আলম। মঙ্গলবার তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাই: বিএনপি নেতা শফিউল আলম কারাগারে

ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা

পুলিশের কিছু সদস্য এখনো ‘ফ্যাসিবাদীদের’ সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শৃঙ্খলা না মানলে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশের কেউ কেউ এখনো ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং নানা ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে আগামী সপ্তাহে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই ইউনিটের শাখা মেট্রো, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে থাকবে। থানা ও জেলা পর্যায়ের সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটে আধুনিক যন্ত্রপাতিও থাকবে।তিনি বলেন, বড় আকারের ফরেনসিক ল্যাবসহ প্রয়োজনীয় সাপোর্ট হেডকোয়ার্টার ও বিভাগীয় পর্যায়ে রাখা হবে। সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় এসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাইবার স্পেসকে কেন্দ্র করে যেসব অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, তা আধুনিক অপরাধপ্রবণতার একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে। কোনো কোনো রাষ্ট্রে মোট অপরাধের ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত সাইবার বা স্ক্যামভিত্তিক হয়ে থাকে। এ কারণে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা

ছিনতাই-মিছিলের ঘটনায় বেড়েছে নজরদারি, বদলি কোতোয়ালি থানার ওসি

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার পেছনে প্রকাশ্যে ছুরি দেখিয়ে ছিনতাই এবং ব্যস্ত সড়কে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই থানাটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূরকে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) বদলি করা হয়েছে।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেনের সই করা আদেশে তাঁকে বদলি করা হয়। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন মাসের মাথায় তাঁকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পাঠানো হলো।আদেশে নাজমুন নূরসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে ছাড়পত্র নিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাড়পত্র না নিলে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁদের ‘তাৎক্ষণিক অবমুক্ত’ (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে।থানার পেছনেই ছিনতাইগত শনিবার সকালে নগরের পাথরঘাটার সতীশ বাবু লেনে একটি রিকশা থামিয়ে এক যাত্রীকে ছুরি দেখিয়ে টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ছিনতাইকারীরা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে পালিয়ে যায়।ঘটনাস্থল কোতোয়ালি থানার ঠিক পেছনে হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে অভিযান চালিয়ে মনির হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।ব্যস্ত সড়কে ঝটিকা মিছিলএর আগে লালখানবাজার-কাজীর দেউড়ি সড়কে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ঝটিকা মিছিলের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যস্ত ও জনবহুল সড়কে প্রকাশ্যে এমন মিছিলের ঘটনায় পুলিশের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।পটিয়ায়ও হয়েছিল বিতর্ককোতোয়ালিতে দায়িত্ব নেওয়ার আগেও নাজমুন নূরকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। গত বছরের ১ জুলাই রাতে পটিয়া থানার ওসি থাকাকালে রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের এক নেতাকে সোপর্দ করা নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে থানা-পুলিশের বিরোধ হয়।আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, থানায় তাঁদের ওপর লাঠিপেটা করা হয় এবং এতে অন্তত ২৩ জন আহত হন। পুলিশের ভাষ্য ছিল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছিল তারা। পরে আন্দোলনকারীরা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ও ডিআইজি কার্যালয় ঘেরাও করে প্রায় নয় ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন।এর পরদিন রাতে নাজমুন নূরকে পটিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করে ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। পরে তিনি সন্দ্বীপ থানায় এবং সর্বশেষ গত জুনে কোতোয়ালি থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পান। পুলিশ সদর দপ্তরের সর্বশেষ বদলি আদেশে নাজমুন নূরকে ডিএমপিতে পাঠানোর নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে এটিকে নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ছিনতাই-মিছিলের ঘটনায় বেড়েছে নজরদারি, বদলি কোতোয়ালি থানার ওসি

পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা বদলি

পুলিশের অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইশতিয়াক হাসান আমীনকে ঢাকার বিশেষ শাখায় (এসবি) এবং পাবনার বেড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লাবীব আবদুল্লাহকে ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে।এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাককে শিল্পাঞ্চল পুলিশে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, নওগাঁর সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মনকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে এবং খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাফিউর রহমানকে হবিগঞ্জের মাধবপুর সার্কেলে বদলি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার হস্তান্তর করতে হবে। তা না হলে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁদের তাৎক্ষণিকভাবে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা বদলি

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এনসিপির সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুততার সঙ্গে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করছে। জনমনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, রামিসা মামলা থেকে শুরু করে রংপুরের সাম্প্রতিক চারটি হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় স্বল্পতম সময়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের বিচার করা বিচার বিভাগের দায়িত্ব। আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব হলো অপরাধ তদন্ত করা, সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করা এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপকভাবে ব্যর্থ হয়েছে—এমন অভিযোগও নাকচ করেন তিনি। তাঁর মতে, এ ধরনের অভিযোগ নির্দিষ্ট ঘটনা ও যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে করা উচিত।সংসদ সদস্যের উদ্ধৃত অপরাধসংক্রান্ত পরিসংখ্যানের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংসদে কোনো পরিসংখ্যান উপস্থাপনের সময় এর উৎস ও তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি উল্লেখ করা প্রয়োজন।পুলিশ সদস্যদের নৈতিক প্রশিক্ষণ নিয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ জন্য বর্তমানে পৃথক কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই। তবে পুলিশ একাডেমিগুলোতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে নৈতিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।একজন সংসদ সদস্য বলেন, কয়েকজন বিপথগামী পুলিশ সদস্যের অসদাচরণের দায় পুরো বাহিনীর ওপর দেওয়া উচিত নয়। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবেই নৈতিকতা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রায়পুরায় ২২৪ কেজি গাঁজা ও অস্ত্রসহ তিনজন আটক

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মাদক ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরই মধ্যে অভিযান চালিয়ে ২২৪ কেজি গাঁজা, একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে রায়পুরা থানা-পুলিশ।এ ঘটনায় মাদক ও অবৈধ অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।পুলিশের দাবি, রায়পুরা থানা এলাকার একটি স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ২২৪ কেজি গাঁজা, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, গুলি ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন।এ ঘটনায় আটক তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রায়পুরা এলাকায় মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার নিয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

রায়পুরায় ২২৪ কেজি গাঁজা ও অস্ত্রসহ তিনজন আটক

বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

বগুড়া সদর উপজেলায় পূর্ববিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (৫৫) নামের সাবেক এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রোববার রাত ১০টার দিকে নুনগোলা ইউনিয়নের বাঘোপাড়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত সাইফুল ইসলাম সদর উপজেলার আশোকোলা পূর্বপাড়া এলাকার মৃত আবেদ আলী মণ্ডলের ছেলে। তিনি নুনগোলা ইউনিয়ন পরিষদের দুইবার নির্বাচিত সাবেক সদস্য ছিলেন।স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে বাঘোপাড়া বন্দর মোড়ে চা পান করতে যান সাইফুল। পরে বাড়ি ফেরার পথে বাঘোপাড়া ব্রিজের কাছে কয়েকজন তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় রমজান ও নিঝুম নামে দুই ব্যক্তি রামদা দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কোপান।স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তার আগেই ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব মিয়া বলেন, তাঁরা বন্দর মোড় থেকে চা পান করে বাড়ি ফিরছিলেন। ব্রিজ পার হওয়ার পর রমজান ও নিঝুম তাঁদের পথরোধ করেন। প্রথমে তাঁদের ধাক্কা দেওয়া হয়। পরে দুজন দা দিয়ে সাইফুলকে কোপাতে থাকেন। এ সময় তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়, ঘটনার বিষয়ে কারও নাম বললে তাঁকেও হত্যা করা হবে।নিহতের ভাতিজি মোছা. শারমিন খাতুন বলেন, তাঁর চাচা দুইবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন। বিভিন্ন সময় সালিশ-বিচার করায় কারও সঙ্গে তাঁর বিরোধ থাকতে পারে। তাঁর দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে সাইফুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের নিরাপত্তার পাশাপাশি হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি।বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইব্রাহিম আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে সাইফুল ইসলামের লাশের সুরতহাল করে। তাঁর শরীরে একাধিক কোপের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।ওসি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাঁদের নাম এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের মূল কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ‘মিটিং’ থেকে সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার ১৫

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের একটি সভা থেকে সাংবাদিকসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের ভাষ্য, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা করার জন্য আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মনসুরাবাদ এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। খবর পেয়ে শনিবার বিকেলে মনসুরাবাদ ওয়াপদা কলোনির পাশে হাজী ফজলুল করিম চৌধুরী ‘রয়েল টাচ’ অ্যাপার্টমেন্টের পঞ্চম তলায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।গ্রেপ্তার ১৫ জনের মধ্যে পাঁচজন নারী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে হাবিবা, হালিশহর থানা আওয়ামী লীগের দপ্তরবিষয়ক সম্পাদক ইস্কান্দার মির্জা এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শুভ আইচ।এ ছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামেলা খানম রুপা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক সুজলা অন্তরা এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শারমিনা ইয়াসমিন নিশু।পুলিশ আরও যাঁদের গ্রেপ্তার করেছে, তাঁরা হলেন সঞ্জয় কান্তি নাথ, এস এম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, সাংবাদিক যীশু রায় চৌধুরী, মশিউর রহমান আবীর, আয়েশা হেভেন ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন।ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১২। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ‘মিটিং’ থেকে সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার ১৫

কক্সবাজারের হোটেলকক্ষে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ

কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে মোহাম্মদ আতাউল কবির নামের এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি জেলার টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে শহরের বাস টার্মিনালসংলগ্ন দি গ্র্যান্ড ঢাকা হোটেলের চতুর্থ তলার ৪০১ নম্বর কক্ষ থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে খবর পেয়ে পুলিশ হোটেলে যায়। পরে এসআই মো. বেলাল হোসেন কক্ষের দরজা ভেঙে আতাউল কবিরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন।হোটেল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আতাউল কবির হোটেলটিতে ওঠেন। এরপর তিনি আর কক্ষ থেকে বের হননি। শুক্রবার দুপুর ১২টার পর হোটেল কর্তৃপক্ষ কয়েকবার দরজায় ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে তাঁরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান।ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, ওই পুলিশ সদস্যের ব্যাগ তল্লাশি করে খাগড়াছড়ি পুলিশ লাইন্সের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য কার্ড পাওয়া গেছে। তাঁর বিপি নম্বর ৮২০২০৪৯০৩৪।মোহাম্মদ আতাউল কবির পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার রাজবাড়ীর উড়িবুনিয়া এলাকার আব্দুল খালেক তালুকদারের ছেলে।পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

কক্সবাজারের হোটেলকক্ষে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ

টানা ১২ বার ডিএমপির সেরা ওসি হাফিজুর

ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে জুলাই মাসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন ইউনিট ও কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এ মূল্যায়নে মিরপুর বিভাগ শ্রেষ্ঠ বিভাগ এবং মিরপুর মডেল থানা শ্রেষ্ঠ থানা নির্বাচিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজারবাগের বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে জুলাই মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় শ্রেষ্ঠদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির ও ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান (পিপিএম) এবারও শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে ডিএমপির শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে টানা ১২ বার পুরস্কার পেলেন তিনি।ডিএমপিতে যোগদানের পর উত্তরা পশ্চিম, গুলশান, হাজারীবাগ ও বর্তমানে মিরপুর মডেল থানায় দায়িত্ব পালনকালে নিজ নিজ এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকার জন্য তিনি এ স্বীকৃতি পেয়েছেন।অন্যান্য ক্যাটাগরিতে যারা সেরাঅপরাধ বিভাগের মূল্যায়নে দ্বিতীয় হয়েছে উত্তরা-পশ্চিম থানা এবং তৃতীয় হয়েছে বাড্ডা থানা।সহকারী পুলিশ কমিশনারদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন ডেমরা জোনের এসি মো. শামীম হোসেন। দ্বিতীয় হয়েছেন মোহাম্মদপুর জোনের এসি মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে প্রথম হয়েছেন পল্লবী থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম। দ্বিতীয় ভাটারা থানার এসআই দেবাশীষ মন্ডল এবং তৃতীয় পল্টন মডেল থানার এসআই অমিত কুমার বিশ্বাস।এএসআইদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার এএসআই নাজমুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় হয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার এএসআই নাদের আলী।ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগ। শ্রেষ্ঠ টিম লিডার নির্বাচিত হয়েছেন গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগের ওয়ারী জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম।ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হয়েছে ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগ। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক সার্জেন্টদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মিরপুর ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট মো. সামসুদ্দীন সরকার এবং দ্বিতীয় হয়েছেন যাত্রাবাড়ী ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট মো. শাহরিয়ার খান।পুরস্কার কাজের স্পৃহা বাড়িয়ে দেয়টানা ১২ বার ডিএমপির শ্রেষ্ঠ ওসি হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে হাফিজুর রহমান (পিপিএম) বলেন, ‘জনগণের সেবা দেওয়া আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমি সেই দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। এ ধরনের পুরস্কার কাজের প্রতি স্পৃহা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।’তিনি এ অর্জনের জন্য ডিএমপি কমিশনার, সংশ্লিষ্ট ডিসি এবং মিরপুর মডেল থানায় কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।হাফিজুর রহমান বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও আরও ভালো কাজের মাধ্যমে ডিএমপির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন ইউনিটের উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, সব থানার ওসি এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টানা ১২ বার ডিএমপির সেরা ওসি হাফিজুর