ঢাকা    বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
রিজভীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রিজভীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সকাল ১১টায় শুরু হওয়া বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক ও চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন তাঁরা।সাক্ষাতের শুরুতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।বৈঠকে দুই দেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন ও রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম এবং এপিএস জাহেদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

মোখায় ইয়েমেনি বাহিনীর দুর্বলতা স্পষ্ট, হুথিদের অগ্রযাত্রার আশঙ্কা

ইরান-সমর্থিত হুথিদের দখল ঠেকাতে ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোখায় অবস্থানরত ইয়েমেনি ব্যাটালিয়নগুলো গত বৃহস্পতিবার অনেকটাই অপ্রস্তুত ছিল। বাহিনীর তালিকায় বিপুলসংখ্যক এমন সেনার নাম ছিল, বাস্তবে যাঁদের কোনো অস্তিত্বই ছিল না।‘ঘোস্ট নেম’ বা ভুতুড়ে নামের এসব সেনার নামে নিয়মিত বেতনও দেওয়া হতো। ফলে কাগজে-কলমে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীকে প্রকৃত শক্তির তুলনায় অনেক বড় দেখাত। বাস্তবে বাহিনীর সদস্যসংখ্যা নথিতে উল্লেখ করা সংখ্যার মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ ছিল। মোখার পতনকে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ভুল হিসেবে দেখছেন অনেকে। তাঁদের মতে, ওয়াশিংটন ও রিয়াদের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করার কারণেই পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে।এ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার দায় ইয়েমেনি বাহিনীর ওপর চাপানো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, গতকাল পুরো দিন সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বিমান হামলা হয়নি। অথচ মাটির পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের প্রতি মিনিটে তথ্য জানানো হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সৌদি বিমান সহায়তা আসেনি।তবে মোখা রক্ষায় ব্যর্থতার পেছনে ইয়েমেনের নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ বিভাজনকেও গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন অনেকে। বিষয়টি হুথিবিরোধী জোটের আরও বড় একটি দুর্বলতার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে। ইয়েমেনে হুথিবিরোধী পক্ষগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্যের অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে দেশটিতে কার্যকর কোনো ঐক্যবদ্ধ সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাও নেই।এ অবস্থায় হুথিরা আরও পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে ইয়েমেনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা নিজেদের সেনা ও সামরিক সক্ষমতা আরও সংগঠিত করছে।

মোখায় ইয়েমেনি বাহিনীর দুর্বলতা স্পষ্ট, হুথিদের অগ্রযাত্রার আশঙ্কা

ভারত-ইসরাইল সম্পর্ক: অস্ত্র ক্রেতা থেকে উৎপাদন সহযোগী

ভারত ও ইসরাইলের সম্পর্ক গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে দুই দেশের সহযোগিতা কূটনীতি ও প্রতিরক্ষার গণ্ডি ছাড়িয়ে অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রেও বিস্তৃত হয়েছে। দীর্ঘদিন ইসরাইলি অস্ত্রের অন্যতম প্রধান ক্রেতা ভারত এখন দেশটির অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থারও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠছে।অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক এক তদন্তে বলা হয়েছে, যৌথ উদ্যোগ ও উৎপাদন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ইসরাইলের সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় কারখানা থেকে ইসরাইলি সামরিক সরবরাহকারীদের কাছে লাখ লাখ অস্ত্রের যন্ত্রাংশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।অ্যামনেস্টির তথ্য অনুযায়ী, এসব সরবরাহের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার ছোট অস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং ৫ লাখ ৬৫ হাজার বিস্ফোরক অস্ত্রের অংশ রয়েছে। এসব সরবরাহে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানও যুক্ত ছিল বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।ইসরাইলের গাজা যুদ্ধ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনা ও বিচ্ছিন্নতা বাড়লেও ভারতে এ সম্পর্ক নিয়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ স্ট্যানলি জনির মতে, এর পেছনে হিন্দুত্ববাদ ও জায়নবাদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান আদর্শিক সাদৃশ্য ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে ভারতের ডানপন্থি রাজনীতিতে ইসরাইলকে শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র হিসেবে দেখার প্রবণতাও এ সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে বলে মনে করেন তিনি।অন্যদিকে, ইসরাইল থেকে ভারতের অস্ত্র কেনাও অব্যাহত রয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ইসরাইলের মোট অস্ত্র রপ্তানির ২৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল ভারত। এর ফলে দেশটি ইসরাইলের সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা ক্রেতায় পরিণত হয়।গাজা যুদ্ধের পর ইসরাইলে ২০ হাজারের বেশি ভারতীয় শ্রমিকও পাঠানো হয়েছে। ফলে দুই দেশের সম্পর্ক এখন প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি শ্রমবাজার ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও বিস্তৃত হচ্ছে।তবে ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ভারতের জন্য কিছু কৌশলগত চ্যালেঞ্জও তৈরি করছে। বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ায় ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক ভারতীয় প্রবাসীর স্বার্থের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।স্ট্যানলি জনির মতে, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেও ভারতের উচিত পশ্চিম এশিয়া নীতিতে আরও ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা এবং একই সঙ্গে নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

ভারত-ইসরাইল সম্পর্ক: অস্ত্র ক্রেতা থেকে উৎপাদন সহযোগী

রাশিয়ার তেল কিনলে ভারত-চীনসহ পাঁচ দেশের ওপর ১০০% শুল্ক আরোপ: ট্রাম্প

রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি বিল পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট। বিলটি আইনে পরিণত হলে রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ ক্রেতা দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তালিকায় ভারত ও চীন রয়েছে।ইউক্রেনের কট্টর সমর্থক প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের নামে নামকরণ করা বিলটি সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে অনুমোদিত হয়েছে।প্রায় চার বছর ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানিয়ে আসছিলেন লিন্ডসে গ্রাহাম। সিনেটে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হওয়া বোন ডারলিন গ্রাহাম বলেন, বিলটি ‘রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সঠিক জায়গায় আঘাত হানবে’।হাউজে উঠবে ৩১ আগস্টআগামী ৩১ আগস্ট মার্কিন হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে নতুন অধিবেশনে বিলটি অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।বিলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে রাশিয়া থেকে তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা শীর্ষ পাঁচ দেশের ওপর শুল্ক আরোপের একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ আমদানিকারক দেশের তালিকায় রয়েছে ভারত, চীন, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া।তবে যেসব দেশ তাদের প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের ১৫ শতাংশের কম রাশিয়া থেকে আমদানি করে এবং আমদানি কমানোর জন্য সক্রিয় পদক্ষেপ নিচ্ছে, তাদের ক্ষেত্রে কিছু শিথিলতার বিধান রাখা হয়েছে।রাশিয়ার জ্বালানি খাতেও কঠোর নিষেধাজ্ঞাবিলটিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং জ্বালানি প্রকল্পগুলোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব রয়েছে।এ ছাড়া রাশিয়ার তেল ও জ্বালানি রাজস্বের ওপর বিদ্যমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে মস্কো যেসব পুরোনো ও নতুন পতাকাবাহী তেলের ট্যাংকার ব্যবহার করছে, সেগুলোকেও বর্ধিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।ইরান নিয়েও বিধানরাশিয়ার পাশাপাশি ইরানকে নিয়েও নতুন বিধান রাখা হয়েছে বিলে। এতে ১৯৯৬ সালের ‘ইরান স্যাংশনস অ্যাক্ট’-এর মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।এই আইনের আওতায় ইরানের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জরিমানা আরোপের বিধান রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

রাশিয়ার তেল কিনলে ভারত-চীনসহ পাঁচ দেশের ওপর ১০০% শুল্ক আরোপ: ট্রাম্প