ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
জেলের জালে ২০ কেজির কোরাল, মাছটি বিক্রি হলো ৩৬ হাজার টাকায়

জেলের জালে ২০ কেজির কোরাল, মাছটি বিক্রি হলো ৩৬ হাজার টাকায়

বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনসংলগ্ন ভোলা নদীতে জহুরুল হাওলাদার নামে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি বড় কোরাল মাছ। পরে মাছটি শরণখোলা বাজারে ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। সে হিসাবে প্রতি কেজি মাছের দাম পড়েছে ১ হাজার ৮০০ টাকা।সোমবার সকালে বন বিভাগের বৈধ অনুমতিপত্র নিয়ে ভোলা নদীতে মাছ ধরতে যান শরণখোলা গ্রামের জেলে জহুরুল হাওলাদার। নদীতে জাল ফেলার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ জালে অস্বাভাবিক টান অনুভব করেন তিনি। পরে কৌশলে জালটি নৌকায় তুললে দেখা যায়, তাতে আটকা পড়েছে বিশাল আকৃতির একটি কোরাল।নৌকায় মাছটি তোলার পর ওজন করে দেখা যায়, কোরালটির ওজন ২০ কেজি। বড় মাছটি নিয়ে দ্রুত শরণখোলা বাজারে ফিরে আসেন জহুরুল। সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় মৎস্য আড়তদার শাহাদাত মুন্সী মাছটি ৩৬ হাজার টাকায় কিনে নেন।স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, সুন্দরবনে টানা তিন মাস মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর গত এক মাসে জেলেদের জালে ধরা পড়া মাছের মধ্যে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় কোরাল। বড় আকারের কোরালের বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় মাছটির জন্য ভালো দাম পেয়েছেন জেলে।মাছটির ক্রেতা শাহাদাত মুন্সী বলেন, গত এক মাসে সুন্দরবন এলাকা থেকে আসা মাছের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় কোরাল। বড় কোরালের চাহিদা বেশি হওয়ায় ভালো দাম দিয়ে মাছটি কিনেছেন তিনি। স্থানীয় বাজারে লাভজনক দামে মাছটি বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন। পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. খলিলুর রহমান বলেন, ভোলা নদীতে জেলের জালে ২০ কেজি ওজনের কোরাল ধরা পড়ার বিষয়টি তাঁরা জেনেছেন। তাঁর মতে, তিন মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময় সুন্দরবনের জলাশয়ে মাছ নির্বিঘ্নে বেড়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছে। ফলে নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেদের জাল ও বড়শিতে বড় আকারের মাছ ধরা পড়ছে এবং তাঁরা বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন।