রাজধানীতে দখল-ভাঙচুরের হিড়িক, চাঁদাবাজি নাকি জমির বিরোধ?
রাজধানীতে হঠাৎ
বেড়েছে
হামলা,
ভাঙচুর
ও
দখলের
ঘটনা।
মাত্র
কয়েক
দিনের
ব্যবধানে মিরপুরের রাড্ডা
স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সালমান
মুক্তাদিরের স্টুডিও, মোহাম্মদপুরের চাঁদ
হাউজিং
ও
আদাবরের একটি
বাড়িতে
হামলার
অভিযোগ
উঠেছে।
কোথাও
চাঁদাবাজির অভিযোগ,
কোথাও
আবার
জমি
দখলকে
কেন্দ্র করে
বিরোধ।মাটিকাটায় সালমান
মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে’ হামলার
সময়
গুলি
ও
ব্যাপক
ভাঙচুরের অভিযোগ
ওঠে।
সালমানের দাবি,
চাঁদা
না
দেওয়ায়
হামলা
হয়েছে।
তবে
পুলিশ
ও
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রায়
৩৫
কাঠা
জমির
বিরোধ
থেকেই
ঘটনার
সূত্রপাত। এ
ঘটনায়
চারজনকে আটক
করেছে
পুলিশ।মোহাম্মদপুরের চাঁদ
হাউজিংয়েও জমি
দখলকে
কেন্দ্র করে
হামলা
ও
ভাঙচুরের অভিযোগ
পাওয়া
গেছে।
দুই
পক্ষই
জমির
মালিকানা দাবি
করছে।
পুলিশ
বলছে,
বিষয়টি
মূলত
জমির
মালিকানা নিয়ে
দেওয়ানি বিরোধ।আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ে অস্ত্রধারীদের হামলার
অভিযোগ
উঠেছে
একটি
বাড়িতে। বাড়ির
মালিকপক্ষের দাবি,
হামলাকারীরা দখলের
চেষ্টা
করে
এবং
গেট,
সিসিটিভি ও
জানালায় ভাঙচুর
চালায়।
পুলিশ
জানিয়েছে, বাড়িটি
নিয়ে
আগেও
বিরোধ
ছিল।সবচেয়ে আলোচিত
ঘটনা
মিরপুরের রাড্ডা
এমসিএইচ-এফপি
সেন্টারে হামলা
ও
ভাঙচুর। এ
ঘটনায়
মামলা
হয়েছে
এবং
চারজনকে গ্রেপ্তার করা
হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে
হাসপাতালের জমি
দখল
নিয়ে
একাধিক
পক্ষের
বিরোধ
চলছিল
বলে
জানা
গেছে।
ঘটনায়
কয়েকজন
রাজনৈতিক নেতার
নাম
অভিযোগ
হিসেবে
এলেও
সংরক্ষিত নারী
আসনের
এমপি
ফেরদৌসী আহমেদ
মিষ্টি
নিজের
সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
একাধিক ঘটনার
পেছনে
রাজনৈতিক পরিচয়ধারীদের নাম
উঠে
এলেও
পুলিশ
বলছে,
প্রতিটি ঘটনাই
আলাদাভাবে তদন্ত
করা
হচ্ছে।
ঢাকা
মহানগর
গোয়েন্দা পুলিশ
জানিয়েছে, তদন্তে
যার
সম্পৃক্ততা পাওয়া
যাবে,
রাজনৈতিক পরিচয়
না
দেখে
তার
বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
রাড্ডা
হাসপাতালে হামলার
ঘটনায়
শাহ
আলী
থানার
ওসি
জাহাঙ্গীর আলমকেও
প্রত্যাহার করা
হয়েছে।