ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
রামপুরায় পিচ্চি আলামিন গ্রেপ্তার, সঙ্গে বিদেশি রিভলভার ও গুলি উদ্ধার

রামপুরায় পিচ্চি আলামিন গ্রেপ্তার, সঙ্গে বিদেশি রিভলভার ও গুলি উদ্ধার

রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি আলামিনকে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৩-এর একটি আভিযানিক দল। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধারের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে রামপুরা থানার টিভি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পিচ্চি আলামিনের বিরুদ্ধে রামপুরা এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন, বাজার, দোকানপাট, টেম্পো স্ট্যান্ড, ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।সর্বশেষ গত ২৭ সেপ্টেম্বর রামপুরার বনশ্রী এলাকার ‘গ্রিন জোন অনলাইন’ নামের একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে এককালীন ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে প্রতি মাসে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, পিচ্চি আলামিন চাঞ্চল্যকর কাইল্ল্যা পলাশ হত্যা মামলারও একজন আসামি। গ্রেপ্তারের পর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে আইনগত কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

রামপুরা–বনশ্রীতে ইন্টারনেট ব্যবসায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা, নির্যাতনের অভিযোগ

রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবসা, নতুন ভবন নির্মাণ, কাঁচাবাজার, বিপণিবিতান এবং পরিবহন স্ট্যান্ড ঘিরে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এসব কর্মকাণ্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত পিচ্চি আলামিন এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হামলা, অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।অভিযোগ অনুযায়ী, রামপুরা–বনশ্রী এলাকায় ক্যাবল ইন্টারনেট বা ব্রডব্যান্ড ব্যবসা পরিচালনা করতে এককালীন ২০ লাখ টাকা দিতে হয়। এরপর প্রতি মাসে আরও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এ ছাড়া চুক্তি নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। দাবি পূরণ না হলে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর এবং ব্যবসায়ীদের তুলে নিয়ে কথিত টর্চার সেলে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর বনশ্রীর ‘গ্রিন জোন অনলাইন’ নামের একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকায় তারা ফিরে যায়। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসেও পিচ্চি আলামিন তাঁর সহযোগীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে অস্ত্র প্রদর্শন করে হামলা চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সময় প্রতিষ্ঠানের মালিককে তুলে নেওয়ার চেষ্টা এবং তা সম্ভব না হওয়ায় সাদা স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।অভিযোগে আরও বলা হয়, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ওই ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরে তিনি মুক্তি পেলেও চাঁদা দাবির ঘটনা বন্ধ হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ পিচ্চি আলামিনসহ পাঁচজনকে শনাক্ত করেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে রামপুরা থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইন্টারনেট ব্যবসার বাইরেও এলাকার নতুন ভবন নির্মাণ, কাঁচাবাজার, বিপণিবিতান এবং লেগুনা ও টেম্পো স্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। গত জুনে রামপুরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত কাইল্লা পলাশ হত্যাকাণ্ডের মামলাতেও পিচ্চি আলামিনের নাম এসেছে। ওই মামলায় তিনি প্রধান আসামিদের একজন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ অন্তত ২৩টি মামলা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এ বিষয়ে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা আছে। আমরা তার বিষয়ে কনসার্ন। আমরা বিভিন্নভাবে রেইডও করেছি। কিছু সহযোগী অ্যারেস্ট হয়েছে। সে অ্যারেস্ট হয়নি। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’ এদিকে, এলাকায় চাঁদাবাজি ও সহিংসতার অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, পিচ্চি আলামিন ও তাঁর সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এলাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনতে চাঁদাবাজির অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

রামপুরা–বনশ্রীতে ইন্টারনেট ব্যবসায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা, নির্যাতনের অভিযোগ

রাজধানীতে দখল-ভাঙচুরের হিড়িক, চাঁদাবাজি নাকি জমির বিরোধ?

রাজধানীতে হঠাৎ বেড়েছে হামলা, ভাঙচুর ও দখলের ঘটনা। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও, মোহাম্মদপুরের চাঁদ হাউজিং ও আদাবরের একটি বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও চাঁদাবাজির অভিযোগ, কোথাও আবার জমি দখলকে কেন্দ্র করে বিরোধ।মাটিকাটায় সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে’ হামলার সময় গুলি ও ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। সালমানের দাবি, চাঁদা না দেওয়ায় হামলা হয়েছে। তবে পুলিশ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, প্রায় ৩৫ কাঠা জমির বিরোধ থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।মোহাম্মদপুরের চাঁদ হাউজিংয়েও জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই পক্ষই জমির মালিকানা দাবি করছে। পুলিশ বলছে, বিষয়টি মূলত জমির মালিকানা নিয়ে দেওয়ানি বিরোধ।আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ে অস্ত্রধারীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে একটি বাড়িতে। বাড়ির মালিকপক্ষের দাবি, হামলাকারীরা দখলের চেষ্টা করে এবং গেট, সিসিটিভি ও জানালায় ভাঙচুর চালায়। পুলিশ জানিয়েছে, বাড়িটি নিয়ে আগেও বিরোধ ছিল।সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুর। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের জমি দখল নিয়ে একাধিক পক্ষের বিরোধ চলছিল বলে জানা গেছে। ঘটনায় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার নাম অভিযোগ হিসেবে এলেও সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন। একাধিক ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক পরিচয়ধারীদের নাম উঠে এলেও পুলিশ বলছে, প্রতিটি ঘটনাই আলাদাভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে যার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাড্ডা হাসপাতালে হামলার ঘটনায় শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমকেও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রাজধানীতে দখল-ভাঙচুরের হিড়িক, চাঁদাবাজি নাকি জমির বিরোধ?

নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই, বাড়ছে ডিম-মাছ-সবজির দাম

নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় বেশ কিছু সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিম, মাছ, মুরগি, আটা ও ময়দার দামও রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী। গতকাল শুক্রবার নয়াবাজার, কারওয়ান বাজার ও কেরাণীগঞ্জের বউবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।নয়াবাজারে খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। এক মাস আগে আটা ছিল ৪৫ ও ময়দা ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেট ময়দা এখন ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, ৫০ কেজির ময়দার বস্তার দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৮০০ টাকা হয়েছে।ময়দার দাম বাড়ায় বনরুটি ও অন্যান্য বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তা আপাতত স্থগিত রয়েছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, সব পণ্য আগের দামে মিলছে না।সবজির বাজারেও বেড়েছে দাম। কাঁচামরিচ ১০০-১২০, পটোল ৭০-৮০, লম্বা বেগুন ৮০-৯০, গোল বেগুন ১১০-১৪০, করলা ৮০-১০০, শিম ১৮০-২০০ এবং পেঁপে ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।ডিমের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। প্রতি ডজন ডিম এখন ১৫০-১৬০ টাকা, যা ছয় মাস আগে ছিল ১১০-১২০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০, সোনালি ৩৪০-৩৬০ এবং হাইব্রিড মুরগি ৩০০-৩৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজিতে প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।মাছের বাজারেও বাড়তি চাপ রয়েছে। রুই ৪০০-৪২০, কাতলা ৪২০-৪৪০, পাঙাশ ২৫০-৩০০, পাবদা ৪০০-৪৫০, তেলাপিয়া ২৫০-২৬০, চিংড়ি ১ হাজার-১ হাজার ৩০০ এবং দেশি কৈ ৭০০-৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে সরবরাহ বাড়ায় ইলিশের দাম কিছুটা কমে আকারভেদে ৮৫০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।এদিকে চলতি অর্থবছরের বাজেটে চাল, আটা, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি ও ভোজ্যতেলসহ ৬৩টি নিত্যপণ্যে কর কমানো হলেও এর সুফল খুচরা বাজারে মিলছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি নাজের হোসাইন আমার দেশকে বলেন, কর কমানোর পরও খুচরা পর্যায়ে পণ্যের দাম কমেনি। বিষয়টি সরকারের গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই, বাড়ছে ডিম-মাছ-সবজির দাম

১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার চেষ্টা, যুবলীগের ১৫ নেতাকর্মীর রিমান্ড

ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় যুবলীগের ১৫ নেতাকর্মীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত এ আদেশ দেন।রিমান্ডে নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন যুবলীগ নেতা মোত্তালিব, মো. রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, মো. রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, মো. সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহীন হোসেন ইমন এবং যুবলীগ নেত্রী মেহজাবিন আক্তার মালা। তাঁদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায়।এর আগে তাঁদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান।পুলিশ যা বলছেরিমান্ড আবেদনে পুলিশ জানায়, ১৩ আগস্ট রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভাটারা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মামলার এজাহারভুক্ত ও তদন্তে পাওয়া আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের দাবি, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে ওই ব্যক্তিরা একত্র হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানের সময় তাঁদের কাছ থেকে তিনটি মুঠোফোন ও তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যানারগুলোর একটিতে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। মামলার এজাহারে তাঁদের নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতাকর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করার উদ্দেশ্যে তাঁরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও অর্থায়নকারীদের শনাক্ত করতে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।আসামিপক্ষের জামিন আবেদনআদালতে আসামিদের পক্ষে আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে নাশকতা ও দেশবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ আগস্ট রাতে ওই ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশ সেখানে গেলে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করেন। পরে সেখান থেকে মোট ৫২ জনকে আটক করা হয়।এ ঘটনায় ১৪ আগস্ট বিকেলে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার চেষ্টা, যুবলীগের ১৫ নেতাকর্মীর রিমান্ড