ঢাকা    রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে এলাকায় এলাকায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, একজন মানুষ সারাদিন রোদে পুড়ে ও ঘাম ঝরিয়ে ৫০০ টাকা আয় করেন। এই অর্থ দিয়েই তাঁর সন্তানের দুধ, স্কুলের খাতা কিংবা বৃদ্ধ বাবার ওষুধ কেনার প্রয়োজন মেটানো হয়। সেখান থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা চাঁদা হিসেবে নিয়ে গেলে শুধু টাকা হারায় না, পরিবারের কোনো একটি প্রয়োজনও সেদিন থেমে যায়।তিনি লেখেন, আপনার আমার কাছে ৫০০ টাকা সামান্য হতে পারে। কিন্তু যার সারাদিনের ঘামের মূল্য এই ৫০০ টাকা, তার কাছে এই টাকাই হাজার কোটি টাকার সমান। চাঁদাবাজির বিস্তৃতি তুলে ধরে এনসিপির এই নেতা লেখেন, দোকান বসাবেন, চাঁদা। ব্যবসা করবেন, চাঁদা। গাড়ি চলবে, চাঁদা। বাড়ি তুলবেন, সেখানেও চাঁদা।চাঁদাবাজির অর্থ রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা প্রদর্শনে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এতে অপমান আরও গভীর হয়। তাঁর ভাষ্য, এই অর্থ শুধু নিচের পর্যায়েই থেমে থাকে না; ধাপে ধাপে এর ভাগ ওপরের নেতাদের কাছেও পৌঁছে যায়।নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও লেখেন, চাঁদাবাজি শুধু টাকা কেড়ে নেয় না, মানুষের ঘাম, সন্তানের ভবিষ্যৎ আর বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেয়। পোস্টের শেষাংশে তিনি নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। এলাকায় এলাকায় চাঁদাবাজবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।তিনি আরও বলেন, দেশ তখনই বাঁচবে, যখন একজন বাবা নিজের ঘামের ৫০০ টাকা নিরাপদে সন্তানের জন্য ঘরে নিয়ে যেতে পারবেন।

বিএনপি সরকার সব নিয়োগ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে: হাসনাত

নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত করার কথা বলে বিএনপি সরকার আরেকটি ‘বাজে’ কাজ করতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ১০ম গ্রেডের নিয়োগ কার্যক্রম সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছ থেকে সরিয়ে নিজেদের কমিটির মাধ্যমে করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, অন্যান্য ১০ম গ্রেডের পদের মতো এ পদেও দীর্ঘদিন ধরে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ হয়ে আসছে। মন্ত্রণালয় শূন্য পদের সংখ্যা জানায়, পিএসসি পরীক্ষা নিয়ে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে এবং পরে মন্ত্রণালয় নিয়োগ দেয়। তাঁর দাবি, এ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ কার্যক্রম ভালোভাবেই চলছে।হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, বিএনপি সরকার সব নিয়োগ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে। পিএসসির অধীনে চলা নিয়োগ দ্রুত সম্পন্ন করতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও জনপ্রশাসন সচিবকে নিয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটিটি নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে কাজ করবে।এ উদ্যোগের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাসনাত বলেন, কেন, পিএসসি কি পারছে না? পিএসসি কি কোথাও বলেছে, আমরা পারছি না। তাঁর ভাষ্য, খালি চোখেই বোঝা যাচ্ছে, সরকার নিয়োগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। উদ্দেশ্য হতে পারে, পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ করা কিংবা দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ করা।সরকারি চাকরিতে নিয়োগে বৈষম্যের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, তারা কি চব্বিশ ভুলে গেছে? সরকারি চাকরির নিয়োগে বৈষম্য করার কারণেই কিন্তু এ দেশের ছাত্ররা আন্দোলনের সূত্রপাত করেছিল, যা থেকে কালজয়ী অভ্যুত্থান হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ক্ষমতা আর সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তা ভুলে গেলে সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, তরুণরা কিন্তু জাগ্রত আছে। নিয়োগে হস্তক্ষেপ করে দুর্নীতির মাধ্যমে লাভবান হওয়ার চিন্তা করলে তা কখনো ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না বলেও মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

বিএনপি সরকার সব নিয়োগ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে: হাসনাত

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী বদলাচ্ছে এনসিপি

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটিতে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দক্ষিণ সিটিতে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে প্রার্থী করা হচ্ছে। দু-এক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা আসতে পারে।এর আগে গত ২৯ মার্চ স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ঢাকা দক্ষিণে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ঢাকা উত্তরে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবের নাম ঘোষণা করেছিল।এনসিপির রাজনৈতিক পরিষদের সর্বশেষ বৈঠকে প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। সূত্রের দাবি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ায় ঢাকার দুই সিটিতে তাদের প্রার্থীদের বিবেচনায় রেখে নতুন কৌশল নিয়েছে এনসিপি।দলীয় সূত্র জানায়, এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে আসিফ মাহমুদ ঢাকা দক্ষিণের পরিবর্তে ঢাকা উত্তরের আফতাবনগর এলাকার ভোটার হয়েছেন। আর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উত্তরা থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হয়েছেন।এনসিপির গণমাধ্যমবিষয়ক উপকমিটি জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম-১৩ অনুসরণ করে তাঁদের ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন আবেদন অনুমোদন করেছে।এদিকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপির ঘোষিত মেয়র প্রার্থী তারিকুল ইসলামও ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন। মুরাদনগর থেকে স্থানান্তর হয়ে তিনি কুমিল্লা সিটির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হয়েছেন। তিনি কুমিল্লা সিটিতে এনসিপির প্রার্থী থাকছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক।

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী বদলাচ্ছে এনসিপি

গুমের শিকারদের খুঁজে পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরার দাবি নাহিদ ইসলামের

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার সব ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে তাঁদের পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরা এবং প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব দাবি জানান। একই সঙ্গে গুম প্রতিরোধ আইনে গুমের অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের সুস্পষ্ট বিধান রাখার আহ্বান জানান তিনি।বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানান।নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিরোধী দল ও মতের অনেক নাগরিক এর শিকার হয়েছেন এবং তাঁদের অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। বছরের পর বছর ধরে স্বজনদের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।‘আয়নাঘর’-এ মানুষকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা মানবতার জন্য লজ্জাজনক।বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশেও অনেক পরিবার প্রিয়জনের সন্ধানের অপেক্ষায় রয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, গুমের শিকার অনেক ব্যক্তির এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। মোংলার কারাগারে মিরাজ শেখের গুমের অভিযোগও উদ্বেগের বিষয়।বর্তমান সরকারের সংসদে উত্থাপিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এনসিপির আহ্বায়ক। তাঁর আশঙ্কা, এসব উদ্যোগে গুমের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়মুক্তির সুযোগও থেকে যেতে পারে।নাহিদ ইসলাম বলেন, গুমের প্রতিটি ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত না হলে দেশে গুমের সংস্কৃতির স্থায়ী অবসান সম্ভব নয়।তিনি চারটি দাবি তুলে ধরেন- মোংলায় গুমের শিকার মিরাজ শেখসহ আওয়ামী লীগ আমলে নিখোঁজ সবাইকে খুঁজে বের করা, তাঁদের পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরা, গুমের প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা এবং গুম প্রতিরোধ আইনে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের সুস্পষ্ট বিধান রাখা। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের ঘটনা না ঘটে, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

গুমের শিকারদের খুঁজে পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরার দাবি নাহিদ ইসলামের

আওয়ামী লীগ ফেরার সুযোগ নেই, বললেন সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগের ফিরে আসার আলোচনা শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভারতে দেখা যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সারজিস আলম।তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার বাতাস শুধু দুই জায়গায় দেখা যায়। একটা সোশ্যাল মিডিয়া, আরেকটা হলো ভারতে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ফেরার কোনো সুযোগ নেই। স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখণ্ডে গণহত্যাকারী, খুনি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরতে পারবে না।’জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, অর্থমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রী যদি বলেন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, তাহলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করা উচিত। শুধু একজন মন্ত্রীকে দায়ী করলে হবে না।তিনি বলেন, এ দায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এড়াতে পারেন না। কোনো মন্ত্রী সঠিকভাবে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতে না পারলে প্রধানমন্ত্রীকে তাঁকে অপসারণ করতে হবে। ব্যর্থতার পরও কাউকে দায়িত্বে রাখলে এর দায় সরকারপ্রধানকেও নিতে হবে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন সারজিস আলম। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে আরও নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। সারজিস বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর প্রক্সি হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু এ কারণে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি যথাযথভাবে নজর দিতে পারছেন না। মন্ত্রণালয়ের দিকে আরও মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ ফেরার সুযোগ নেই, বললেন সারজিস আলম

হাসনাতের দুঃখ প্রকাশ, কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ দুঃখ প্রকাশ করায় নিজেদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। শনিবার দুপুরে এনসিপির নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর কর্মসূচি প্রত্যাহারের কথা জানায় সংগঠনটি।তবে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলা শিল্পকলা একাডেমি কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নয়। সেখানে এনসিপির রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৪টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির উদ্যোগে সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা হওয়ার কথা ছিল।এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের ব্যানারে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাইলে এনসিপির অনুষ্ঠান প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তাঁরা।এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিকেল ৩টায় এনসিপির অনুষ্ঠানস্থলে ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেয় কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ।তবে শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের সঙ্গে তাঁর ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কর্মসূচি প্রত্যাহারব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নির্ধারিত কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।তিনি বলেন, এনসিপির কর্মসূচিতে আমাদের কোনো বাধা থাকবে না।শিল্পকলায় রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তিএদিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির কর্মসূচি আয়োজনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে শিল্পকলা একাডেমিতে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠান করার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক সমাবেশ হবে, এমন তথ্য আগে জানানো হয়নি।জেলা প্রশাসক বলেন, শিল্পকলায় কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নয়। তারা সেখানে অনুষ্ঠান করতে পারবে না। এনসিপির অনুষ্ঠানকে ঘিরে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করায় আপাতত ওই পক্ষের কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের অবসান হয়েছে। তবে শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি নিয়ে জেলা প্রশাসনের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

হাসনাতের দুঃখ প্রকাশ, কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে লংমার্চ: নাহিদ ইসলাম

সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে ১১ দলীয় ঐক্য কী করবে এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, তাঁদের কর্মসূচি চলমান রয়েছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে লংমার্চ কর্মসূচি শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য বিভাগেও এ কর্মসূচি পালন করা হবে।এ ছাড়া গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথাও জানান তিনি।বুধবার রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।তিনি বলেন, ‘দেশে এই মুহূর্তে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট চলছে। এমনকি মন্ত্রী-এমপিরা যখন কথা বলছেন, তখনও বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। অবশ্য, তাঁরা ইনিয়ে-বিনিয়ে বলার চেষ্টা করছেন, দেশে এই মুহূর্তে কোনো সংকট নেই।’গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পদযাত্রাসংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিগত সময়ে বিচারবহির্ভূতভাবে অনেক মানুষ গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনার বিচার এখনো হয়নি।এসব বিষয় সামনে রেখে আগামী ৩০ আগস্ট রোববার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা করবে ১১ দলীয় ঐক্য। এতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেবেন বলে জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে লংমার্চ: নাহিদ ইসলাম

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর জনগণ মেনে নেবে না: নাহিদ

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর জনগণ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।শুক্রবার গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে এনসিপি আয়োজিত গণসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তন ও সংস্কারের জন্যই এনসিপি গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিল এবং পরে নির্বাচনে অংশ নেয়।তিনি বলেন, আমরা আপনাদের বলেছিলাম, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে দেশের সংস্কার হবে।প্রতারক সরকারসরকারকে ‘প্রতারক’ ও ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা দেশের জনগণ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও হাজারো শহীদের সঙ্গে প্রতারণা করে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।তিনি আরও বলেন, মাত্র পাঁচ মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসে লোডশেডিংয়ের সব রেকর্ড ভেঙেছে সরকার। এ প্রসঙ্গে তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সময়ের কথাও উল্লেখ করেন।দেশের সম্পদ তুলে দেওয়া হচ্ছেনাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নির্বাচন করা হয়েছিল, এখন তাদের হাতেই দেশের সম্পদ তুলে দেওয়া হচ্ছে।গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে এনসিপির পক্ষ থেকে আন্দোলন অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর জনগণ মেনে নেবে না: নাহিদ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বাদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।শনিবার বেলা ১১টার পর জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন।নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে সীমান্ত হত্যার একটি সেগমেন্ট ছিল। সীমান্তে যেসব হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সেসবের স্মৃতি এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’জাদুঘরে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রাম তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যে ফ্যাসিবাদ ছিল, তার সঙ্গে ভারত জড়িত ছিল। তাঁর অভিযোগ, বিএনপি হয়তো ভারতকে ভয় পাচ্ছে এবং সরকার মনে করছে, এভাবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখা সম্ভব।ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো বা খারাপের বিষয় নয়। সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদাপূর্ণ।’গণভবন প্রসঙ্গে নাহিদজুলাই স্মৃতি জাদুঘর যে ভবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই গণভবন সম্পর্কে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই গণভবন থেকেই শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী সব সিদ্ধান্ত নিতেন। মানুষকে লুটপাট, অর্থ লুটপাটসহ সব সিদ্ধান্ত এখান থেকেই নেওয়া হতো।’তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছিল। জাদুঘরটি খুলে দেওয়ার জন্য তারা সংসদে ও সংসদের বাইরে অনেক কথা বলেছেন। এর আগেও তিনি জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছিলেন। নির্বাচনের পর সরকার জাদুঘরে কিছু পরিবর্তন করেছে বলেও জানান তিনি।‘জুলাইয়ের ইতিহাস আরও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে হবে’জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিগুলো জাদুঘরে আরও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরার দাবি জানান নাহিদ ইসলাম। তাঁর মতে, সময়ের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অবদানও জাদুঘরে তুলে ধরা প্রয়োজন।জাদুঘরে কেন্দ্রীয় ও পরিচিত ব্যক্তিদের বারবার তুলে ধরা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিষয়টি জাদুঘরের দায়িত্বশীলদের জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা সংসদে বলেছিলাম, এটি স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘর হওয়া উচিত।’জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করেন- এমন ব্যক্তিদের দিয়ে জাদুঘর পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর যেন দলীয় ইতিহাস চর্চার জায়গা না হয়, জাতীয় ইতিহাস চর্চার জায়গা হয়। প্রকৃত সত্যটাই যেন এখানে আসে এবং সবাই যেন সেটি ধারণ করতে পারে।’এ সময় এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি বাদ

এমপি বিথীকাকে আইনি নোটিশ পাঠালেন আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিথীকা বিনতে হোসেনকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন অথবা অভিযোগ প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনির মাধ্যমে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠানো হয়।নোটিশে বলা হয়, আসিফ মাহমুদ ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, তিনি সম্প্রতি এক প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বলে দাবি করছেন।নোটিশ অনুযায়ী, বিথীকা বিনতে হোসেন এক সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক হিসেবে তাঁর নিয়োগ সহজ করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে আসিফ মাহমুদ ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন। অভিযোগটি পরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।নোটিশে দাবি করা হয়, অভিযোগ প্রকাশের পর আসিফ মাহমুদের প্রতিনিধিরা একাধিকবার বিথীকা বিনতে হোসেনের কাছে অভিযোগের পক্ষে নথি, অডিও, ভিডিও বা অন্য কোনো প্রমাণ চাইলেও এখন পর্যন্ত তা উপস্থাপন করা হয়নি। এ কারণে অভিযোগটি ভিত্তিহীন, মনগড়া ও বিদ্বেষপ্রসূত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।এতে আরও বলা হয়, মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্যের কারণে প্রচলিত আইনে দেওয়ানি ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই সাত দিনের মধ্যে অভিযোগের প্রমাণ উপস্থাপন, অথবা অভিযোগ প্রত্যাহার করে লিখিতভাবে ক্ষমা চাওয়া এবং একই মাধ্যমে তা প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আসিফ মাহমুদ আইনি নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বিজ্ঞপ্তিতে তিনি দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগের জবাব আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এমপি বিথীকাকে আইনি নোটিশ পাঠালেন আসিফ মাহমুদ

জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। এ দিনের চেতনা ও গণআকাঙ্ক্ষা থেকে দেশকে বিচ্যুত করার কোনো চেষ্টা হলে জনগণ তা প্রতিহত করবে।মঙ্গলবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলা ভূখণ্ডের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও বিজয়ের ধারাবাহিকতার প্রতীক ৫ আগস্ট। তিনি পলাশীর যুদ্ধ, ফরায়েজি আন্দোলন, তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা, মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহের উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করলেও প্রত্যাশিত ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।বাণীতে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ধারাবাহিকতায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলি চালানোর ঘটনা থেকেই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সূত্রপাত ঘটে। ছাত্র, শ্রমিক, শিক্ষক, আলেম, আইনজীবী, নারী, সাংবাদিক, প্রবাসী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণে ওই আন্দোলন সফল হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বিপ্লবের দুই বছর পরও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত পরিবর্তন বাস্তবায়িত হয়নি। সরকারের দলীয়করণ, সংস্কারবিরোধী অবস্থান, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও প্রশাসনিক অদক্ষতার সমালোচনা করে তিনি গণভোটে দেওয়া জনরায়ের ভিত্তিতে দ্রুত সংস্কার বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে এবং ২০২৪ সালের ঘটনাসহ সব গণহত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।বাণীর শেষাংশে নাহিদ ইসলাম শহীদদের স্মরণ করে অন্যায়, অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে: নাহিদ ইসলাম