ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
হারমোনিয়ামের ভেতরে পিস্তল, মুন্সীগঞ্জে দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৩

হারমোনিয়ামের ভেতরে পিস্তল, মুন্সীগঞ্জে দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৩

মুন্সীগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে পৃথক অভিযান চালিয়ে তিনটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ১১ রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার দুই সহোদর রয়েছেন।এসআরবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে এসআরবি-১১-এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১৪-এর একটি দল টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর এলাকায় চেকপোস্ট বসায়। এ সময় রিয়াজ পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে হারমোনিয়ামের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা দুটি বিদেশি পিস্তল ও সাত রাউন্ড গুলিসহ বারেক ব্যাপারী (৪৯) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বারেক ব্যাপারী জানান, অস্ত্র ও গুলির চালানটি মুন্সীগঞ্জের সুজন বেপারীর কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। তাঁর দাবি, সুজন কুষ্টিয়া থেকে পিস্তল দুটি কিনেছিলেন।এসআরবি জানায়, পরবর্তী সময়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকাল সাতটার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই এলাকায় সুজন বেপারীর (৩৮) বাড়িতে অভিযান চালায় এসআরবি-১১-এর সদর কোম্পানির একটি দল। সেখান থেকে সুজন ও তাঁর বড় ভাই মনির হোসেনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা ওই এলাকার কাসেম ব্যাপারীর ছেলে।অভিযানকালে বাড়িটি থেকে আরও একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন এবং ৪১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এসআরবির ভাষ্য, উদ্ধার করা অর্থ অস্ত্র বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসআরবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু পূর্ব থানা ও মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।

আদালতে আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

নারায়ণগঞ্জে আদালত প্রাঙ্গণে সাবেক সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন আইনজীবী এবং অপরজন একজন আইনজীবীর ভাই। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।বুধবার আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ফতুল্লার আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। তাঁদের রিমান্ড আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আইনজীবী জিয়াউল ইসলাম কাজল, তাঁর ভাই আতিকুল ইসলাম এবং আইনজীবী মাহাবুব রহমান।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে শহরের আল্লামা ইকবাল রোডের বাসা থেকে জিয়াউল ইসলাম কাজল ও তাঁর ভাই আতিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই রাতে দেওভোগের পাক্কা রোড এলাকার গার্মেন্টস গলি থেকে মাহাবুব রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, গ্রেপ্তারের পর বুধবার সকালে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।পুলিশের দাবি, আদালত প্রাঙ্গণে স্লোগান দেওয়ার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী, সে বিষয়ে পুলিশের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এর আগে মঙ্গলবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা তুহিন হত্যা মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিনের বিষয়ে আদালতে শুনানি হয়। উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর নিম্ন আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের শুনানি ও পুনরায় জামিনের আবেদনের জন্য দিন ধার্য ছিল। শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।আদালতের কার্যক্রম শেষে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় নেতাকর্মীদের বেষ্টনীর মধ্যে ছিলেন আইভী। এ সময় তাঁকে ‘জয় বাংলাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না, জয় বাংলা’ বলতে শোনা যায়। উপস্থিত নেতাকর্মীরাও তাঁর সঙ্গে কণ্ঠ মেলান।

আদালতে আইভীর ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

রামপুরায় পিচ্চি আলামিন গ্রেপ্তার, সঙ্গে বিদেশি রিভলভার ও গুলি উদ্ধার

রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি আলামিনকে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৩-এর একটি আভিযানিক দল। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধারের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে রামপুরা থানার টিভি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পিচ্চি আলামিনের বিরুদ্ধে রামপুরা এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন, বাজার, দোকানপাট, টেম্পো স্ট্যান্ড, ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।সর্বশেষ গত ২৭ সেপ্টেম্বর রামপুরার বনশ্রী এলাকার ‘গ্রিন জোন অনলাইন’ নামের একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে এককালীন ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে প্রতি মাসে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, পিচ্চি আলামিন চাঞ্চল্যকর কাইল্ল্যা পলাশ হত্যা মামলারও একজন আসামি। গ্রেপ্তারের পর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে আইনগত কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

রামপুরায় পিচ্চি আলামিন গ্রেপ্তার, সঙ্গে বিদেশি রিভলভার ও গুলি উদ্ধার

ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪২

রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে ১৯টি মামলা করা হয়েছে। অভিযানে একটি দেশীয় রিভলবার, চার রাউন্ড গুলি, ৬ হাজার ৩২৪টি ইয়াবা, ৩৩ পুরিয়া গাঁজা ও নগদ ৩ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।বুধবার ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।ডিএমপির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩২ জন, লালবাগে ৩৬ জন, ওয়ারীতে ৫০ জন, মতিঝিলে ৫৬ জন, তেজগাঁওয়ে ৫৯ জন, মিরপুরে ১৩৩ জন, গুলশানে ২৩ জন এবং উত্তরা বিভাগে ৫০ জন রয়েছেন। এ ছাড়া গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।অভিযানে অস্ত্র ও গুলির পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ হাজার ৩২৪টি ইয়াবা ও ৩৩ পুরিয়া গাঁজা। এ ছাড়া নগদ ৩ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪২

বেলাবতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি পিয়াল গ্রেপ্তার

নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মো. এহসান উল্লাহ পিয়াল (৩২) নামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার পিয়াল নিলক্ষীয়া নামাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত জহিরুল হক ওরফে উল্লাহর ছেলে। তাঁর মা মোসা. খাদিজা বেগম। পিয়াল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেলাব থানায় দায়ের করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটির নম্বর ১৬ এবং তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। এতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর (সংশোধনী ২০১৩) ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলা করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ওই মামলার ধারায় পিয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধৃত আসামিকে যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে।

বেলাবতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি পিয়াল গ্রেপ্তার

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুই ছাত্রলীগের নেতা গ্রেপ্তার

নরসিংদীর বেলাবোয় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) উপজেলার বিন্নাবাইদ এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বেলাবো উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম (৩৬) এবং পাটুলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম টুটুল। সাইফুল ইসলাম বিন্নাবাইদ এলাকার মৃত আবদুল মজিদ মিয়ার ছেলে। রফিকুল ইসলাম টুটুল একই এলাকার মৃত কুতুব উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেলাবো থানায় দায়ের করা ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারির ১৬ নম্বর মামলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০১৩)-এর ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় তাঁদের আসামি করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেলাবো থানার একটি দল শুক্রবার বিন্নাবাইদ গ্রামে সাইফুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে সাইফুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম টুটুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বেলাবো থানা পুলিশ।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুই ছাত্রলীগের নেতা গ্রেপ্তার

গুলশানের দুই স্পা সেন্টারে অভিযান, ৫৩ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা-পুলিশ।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত গুলশান থানা-পুলিশ পৃথকভাবে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়।অভিযান চালানো প্রতিষ্ঠান দুটি হলো গুলশান থানার ২৪ নম্বর সড়কের ‘গুলশান ওয়ান সেলুন’ এবং ৯৯ নম্বর সড়কের ‘হট স্টোন স্পা’।পুলিশ জানায়, অভিযানে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৪ জন পুরুষ ও ২৯ জন নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গুলশান থানা সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।পুলিশ জানিয়েছে, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গুলশানের দুই স্পা সেন্টারে অভিযান, ৫৩ জন গ্রেপ্তার

ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৬

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় ৫৫টি মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানার এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।কোন বিভাগে কতজন গ্রেপ্তারডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৫ জন, লালবাগে ৪৫, ওয়ারীতে ৬৫, মতিঝিলে ৪৭, তেজগাঁওয়ে ৪১, মিরপুরে ১২০, গুলশানে ৯৩ এবং উত্তরা বিভাগে ৬৩ জন রয়েছেন। এ ছাড়া গোয়েন্দা বিভাগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।যা উদ্ধার হয়েছেঅভিযানে দুটি সুইচ গিয়ার, ২৭ কেজি ৫১০ গ্রাম গাঁজা, ২৩১টি ইয়াবা ও ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এ ছাড়া একটি এনা বাস, একটি ট্রাক, ১৭টি মোটরসাইকেল ও আটটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।পুলিশের অভিযানে ৫৯৭ দশমিক ৭৩ গ্রাম স্বর্ণালংকার এবং ২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা চোরাই টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪ ভরি ১৫ আনা ৫ রতি চোরাই স্বর্ণালংকার এবং দুজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।ডিএমপির কর্মকর্তা নিয়াজ মেহেদী জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ঢাকায় ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৬

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ‘মিটিং’ থেকে সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার ১৫

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের একটি সভা থেকে সাংবাদিকসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের ভাষ্য, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা করার জন্য আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মনসুরাবাদ এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। খবর পেয়ে শনিবার বিকেলে মনসুরাবাদ ওয়াপদা কলোনির পাশে হাজী ফজলুল করিম চৌধুরী ‘রয়েল টাচ’ অ্যাপার্টমেন্টের পঞ্চম তলায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।গ্রেপ্তার ১৫ জনের মধ্যে পাঁচজন নারী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে হাবিবা, হালিশহর থানা আওয়ামী লীগের দপ্তরবিষয়ক সম্পাদক ইস্কান্দার মির্জা এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শুভ আইচ।এ ছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামেলা খানম রুপা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক সুজলা অন্তরা এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শারমিনা ইয়াসমিন নিশু।পুলিশ আরও যাঁদের গ্রেপ্তার করেছে, তাঁরা হলেন সঞ্জয় কান্তি নাথ, এস এম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, সাংবাদিক যীশু রায় চৌধুরী, মশিউর রহমান আবীর, আয়েশা হেভেন ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন।ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১২। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ‘মিটিং’ থেকে সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার ১৫

সাপ্তাহিক হাটে ব্যাগ তল্লাশি, ২ কেজি গাঁজাসহ আটক ১

নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার গাংকূল পাড়ায় সাপ্তাহিক হাটে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলাবো সদর ইউনিয়নের গাংকূল পাড়ায় মাদক নির্মূল কমিটির সদস্যরা তাঁকে আটক করেন।মাদক নির্মূল কমিটি সূত্রে জানা যায়, সাপ্তাহিক হাট চলাকালে এক ব্যক্তির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাঁর ব্যাগে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ব্যাগ থেকে প্রায় ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেন কমিটির সদস্যরা। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ওই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।আটক ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদে নিজের নাম জুনাইদ এবং বাবার নাম হারুন মিয়া বলে জানিয়েছেন। তিনি কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়ন থেকে বেলাবোয় এসেছেন বলে জানান।অভিযানে নেতৃত্ব দেন বেলাবো মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া। এ সময় কমিটির সদস্য মো. স্বপন মিয়া, মোহাম্মদ সাদেক ও মোহাম্মদ মঞ্জিল উপস্থিত ছিলেন।মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বেলাবো, বিশেষ করে বেলাবো সদর ইউনিয়নকে মাদক ও জুয়ামুক্ত রাখতে তাঁরা কাজ করছেন।কমিটির সদস্য ও শ্রমিক দলের সভাপতি মো. স্বপন মিয়া বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে আমাদের বেলাবোকে মাদকমুক্ত করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেলাবো উপজেলায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সাপ্তাহিক হাটে ব্যাগ তল্লাশি, ২ কেজি গাঁজাসহ আটক ১

গুলশানে গ্রেপ্তার সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান, রয়েছে হত্যাসহ একাধিক মামলা

রাজধানীর গুলশান এলাকার একটি বাসা থেকে সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানকে (৭৩) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।বুধবার রাতে গুলশানের ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।গোয়েন্দা সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের গোপন বৈঠক, সাংগঠনিক যোগাযোগ ও বিভিন্ন কর্মসূচির ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আখতারুজ্জামানের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পেয়ে গুলশানের বাসাটিতে অভিযান চালানো হয়।আখতারুজ্জামান দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এ সময় তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসনে তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় গাজীপুরের সাবেক সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের অংশগ্রহণও আলোচনায় আসে।

গুলশানে গ্রেপ্তার সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান, রয়েছে হত্যাসহ একাধিক মামলা