ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন, উদ্বোধন হলো ওসমানী উদ্যান ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ

৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন, উদ্বোধন হলো ওসমানী উদ্যান ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ

রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন করা অংশ এবং সেখানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার সকাল ১০টায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যান ও স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করেন।প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়নের পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ওসমানী উদ্যান আবারও নগরবাসীর জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশ শেষে উদ্যানটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা রয়েছে।সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, প্রায় ১০ বছর বন্ধ থাকার পর ওসমানী উদ্যান আবারও নগরবাসীর ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। উদ্যানটির আধুনিকায়নে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিকায়নের মাধ্যমে উদ্যানটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন ও জনবান্ধব করে সাজানো হয়েছে। এর ফলে নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা, অবসর যাপন এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।জুলাই অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিওসমানী উদ্যানের প্রাঙ্গণে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’।স্মৃতিস্তম্ভটির মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ঐতিহাসিক আন্দোলনের ঘটনাবলি ও শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করার সুযোগ পাবেন। উদ্যানের আধুনিকায়নের পাশাপাশি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগকে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর উদ্যানটি চালু হওয়ায় রাজধানীবাসীর জন্য নতুন করে অবসর কাটানোর একটি উন্মুক্ত স্থান তৈরি হলো। আধুনিকায়নের মাধ্যমে উদ্যানটিকে আরও জনবান্ধব করে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার সকাল ১০টার দিকে সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীকে আরও দক্ষ ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনীর প্রকৃত শক্তি হলো শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নৈতিকতা এবং জনগণের আস্থা অর্জন।এর আগে অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটের কাছে জাতীয় পতাকা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকাল সোয়া ৯টার দিকে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান তিনি। এ সময় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।সেনানিবাসে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। পরে উপস্থিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এদিকে, সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পুলিশের একগুচ্ছ পরামর্শ, জরুরি সেবা ৯৯৯

দুর্গাপূজা নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে আয়োজক ও দর্শনার্থীদের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা ও পরামর্শ জানানো হয়।পুলিশের পরামর্শে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজব সম্পর্কে সতর্ক থাকা, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা জোরদার করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং প্রতিমা বিসর্জনে নির্ধারিত পথ অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বানসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো ঘটনার সত্যতা যাচাই না করে তা ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে বলেছে পুলিশ। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পূজামণ্ডপে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের পরামর্শপূজামণ্ডপে নারী ও পুরুষ দর্শনার্থীদের জন্য পৃথক প্রবেশ ও প্রস্থানের ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাগ, থলে বা পোঁটলা নিয়ে মণ্ডপে প্রবেশ না করার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।মণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপন নিশ্চিত করার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে আর্চওয়ে গেট বসানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মণ্ডপ ও প্রতিমা বিসর্জনস্থলে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর বা চার্জার লাইট রাখার কথাও বলা হয়েছে।নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। তাঁদের সহজে শনাক্ত করার জন্য আলাদা পোশাক, দৃশ্যমান পরিচয়পত্র এবং ‘স্বেচ্ছাসেবক’ লেখা আর্মব্যান্ড রাখার কথা বলা হয়েছে।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বানপূজা উদ্‌যাপনের সময় অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। আজান ও নামাজের সময় মসজিদসংলগ্ন পূজামণ্ডপে এবং প্রতিমা বিসর্জনের সময় শব্দযন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।বিসর্জনে নির্ধারিত পথ অনুসরণের পরামর্শযানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখতে প্রতিমা বিসর্জনের সময় নির্ধারিত পথ অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত স্থানে বিসর্জন কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।জরুরি প্রয়োজনে যেসব নম্বরে যোগাযোগ করবেনজরুরি পরিস্থিতিতে সহায়তা পেতে কয়েকটি নিয়ন্ত্রণকক্ষের যোগাযোগ নম্বর জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। নম্বরগুলো কন্ট্রোল ০২২২৩৩৮০৬৬১, ০২২২৩৩৮১৯৬৭, ০১৩২০০০১২৯৯, ০২২২৩৩৫৫৫০০, ০২৯৬১১৩৫৩, ০১৭৭৭৭২০০৯, ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুম: ০১৭৩০৩৩৬৬৯৯, এ ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে ২৪ ঘণ্টা চালু জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা নেওয়া যাবে। এ সেবা টোল ফ্রি। পুলিশ ও ভারপ্রাপ্ত ওসি) নম্বর বাংলাদেশ ওয়েবসাইট পরামর্শও হয়েছে।

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পুলিশের একগুচ্ছ পরামর্শ, জরুরি সেবা ৯৯৯

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার সিলেটে মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো সিলেট সফরে গেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২৭ মিনিটে বিমানযোগে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সদস্য, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। এ সময় জেলা প্রশাসকসহ রাজনৈতিক নেতা এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিমানবন্দর থেকে প্রাইভেটকারে সিলেট সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হলে সড়কের দুই পাশে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১২টায় সার্কিট হাউসে পৌঁছে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে সার্কিট হাউস থেকে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। পরে তিনি হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারও জিয়ারত করবেন।মাজার জিয়ারত শেষে সার্কিট হাউসে ফিরে সাময়িক বিশ্রাম নেবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর বিকেলে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। অনুষ্ঠান শেষে আবার সার্কিট হাউসে ফিরবেন তিনি।সফরসূচি অনুযায়ী, সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর বঙ্গভবনে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার সিলেটে মির্জা ফখরুল

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে জামায়াতের অঙ্গীকার: শফিকুর রহমান

১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র শুধু সরকার গঠনের সাময়িক কোনো প্রক্রিয়া নয়; মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাক্‌স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেন, গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত হয়ে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে। তাঁর অভিযোগ, বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার দেশে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছে। জনগণ ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার, সামাজিক সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি করেছে। নির্বাচনের আগে বিএনপি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর তারা সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।বিবৃতিতে জামায়াতের আমির বলেন, বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বারবার গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পুনরুদ্ধার করেছে। ইতিহাসজুড়ে স্বৈরাচারী মনোভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে বিভিন্নভাবে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্র-জনতা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে জুলাই বিপ্লব সংঘটিত করেছে। এই বিপ্লব ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না এবং জাতির প্রত্যাশা অনুযায়ী বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।তিনি বলেন, ইনসাফ, সততা ও মানবিক মূল্যবোধনির্ভর বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে গণতন্ত্রকে সুসংহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার করছে জামায়াতে ইসলামী। সমতা, আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় দলটি কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।জামায়াত আমির আরও বলেন, দেশকে কোনোভাবেই গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের মতো অভিশাপের দিকে ঠেলে দেওয়া যাবে না। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রশাসনকে সংকীর্ণ দলীয়করণ থেকে মুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে ঘুষ-দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব থেকে দেশকে মুক্ত করে শাসনব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও গণমুখী করার অঙ্গীকার করতে হবে। বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়তে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, ন্যায্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের জন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান।

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে জামায়াতের অঙ্গীকার: শফিকুর রহমান

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঙ্গলবার সিলেটে যাচ্ছেন

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার সিলেট সফরে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সফরসূচি অনুযায়ী, ওই দিন বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি।বিমানবন্দর থেকে রাষ্ট্রপতি সিলেট সার্কিট হাউসে যাবেন। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার এবং দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।বেলা সাড়ে ৩টায় নগরভবনের সামনে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) আয়োজনে নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি। কর্মসূচি শেষে রাত ৮টায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ছাড়ার কথা রয়েছে তাঁর।রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার আবুল কালাম মো. লুৎফুর রহমান স্বাক্ষরিত সফরসূচিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।সফর ঘিরে প্রস্তুতিরাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে সিলেট নগরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জা করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকা পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির কর্মসূচির স্থান, যাতায়াতের পথ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।রোববার বিকেলে হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের প্রস্তুতি ও চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি মাজার এলাকা ঘুরে দেখেন এবং রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে সিসিকের নেওয়া প্রস্তুতির অগ্রগতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে খোঁজ নেন।সিসিক প্রশাসক বলেন, হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারসহ নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর উন্নয়ন ও সংস্কারকাজে সিলেট সিটি করপোরেশন নিয়মিত কাজ করে আসছে। রাষ্ট্রপতির সফর উপলক্ষে এসব কাজ আরও গতিশীল করা হয়েছে।জোরদার নিরাপত্তাব্যবস্থারাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে স্থানীয় প্রশাসনও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। সফর উপলক্ষে গত শনিবার সমন্বয় সভা করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। সভায় সভাপতিত্ব করেন এসএমপির পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঙ্গলবার সিলেটে যাচ্ছেন

গুমের শিকারদের খুঁজে পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরার দাবি নাহিদ ইসলামের

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার সব ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে তাঁদের পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরা এবং প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব দাবি জানান। একই সঙ্গে গুম প্রতিরোধ আইনে গুমের অভিযোগের স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের সুস্পষ্ট বিধান রাখার আহ্বান জানান তিনি।বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানান।নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিরোধী দল ও মতের অনেক নাগরিক এর শিকার হয়েছেন এবং তাঁদের অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। বছরের পর বছর ধরে স্বজনদের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।‘আয়নাঘর’-এ মানুষকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা মানবতার জন্য লজ্জাজনক।বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশেও অনেক পরিবার প্রিয়জনের সন্ধানের অপেক্ষায় রয়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, গুমের শিকার অনেক ব্যক্তির এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। মোংলার কারাগারে মিরাজ শেখের গুমের অভিযোগও উদ্বেগের বিষয়।বর্তমান সরকারের সংসদে উত্থাপিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এনসিপির আহ্বায়ক। তাঁর আশঙ্কা, এসব উদ্যোগে গুমের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়মুক্তির সুযোগও থেকে যেতে পারে।নাহিদ ইসলাম বলেন, গুমের প্রতিটি ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত না হলে দেশে গুমের সংস্কৃতির স্থায়ী অবসান সম্ভব নয়।তিনি চারটি দাবি তুলে ধরেন- মোংলায় গুমের শিকার মিরাজ শেখসহ আওয়ামী লীগ আমলে নিখোঁজ সবাইকে খুঁজে বের করা, তাঁদের পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরা, গুমের প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা এবং গুম প্রতিরোধ আইনে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের সুস্পষ্ট বিধান রাখা। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের ঘটনা না ঘটে, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

গুমের শিকারদের খুঁজে পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরার দাবি নাহিদ ইসলামের

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

দেশের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার সকাল সোয়া ১০টার পর সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার দেয়। একই সময়ে বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।এর আগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটিই ছিল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রথম আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদন।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

আজ সন্ধ্যায় শপথ নেবেন ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

বঙ্গভবনের দরবার হলে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শপথ নেবেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর ধারা ১১ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর বিধি ১২(৬) অনুযায়ী তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে ভোট গণনা শেষে মির্জা ফখরুলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। অন্যদিকে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। বৈধ ব্যালটের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল।নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নির্বাচনি কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণার ভিত্তিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।স্পিকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নির্বাচনএর আগে ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। একই দিন সংবিধানের বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।এরপর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে মির্জা ফখরুল সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আজ বঙ্গভবনে শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

আজ সন্ধ্যায় শপথ নেবেন ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

জুলাই আন্দোলনে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে ২২ আগস্ট স্মরণসভা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও অবদান তুলে ধরতে আগামী ২২ আগস্ট ঢাকায় একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্মরণসভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শনিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি তাঁর সঙ্গে দেখা করে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান বলে জানা গেছে।আয়োজকেরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ও অবদানের পাশাপাশি তাঁদের যথাযথ স্বীকৃতির বিষয়টি স্মরণসভায় গুরুত্ব পাবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হবে।মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।স্মরণসভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, তাঁদের ভূমিকা এবং আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জুলাই আন্দোলনে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে ২২ আগস্ট স্মরণসভা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের ‘অনুকূল পরিবেশ’ নেই: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের জন্য এখনো অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম।রোববার বেলা ১১টার দিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।শহীদুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় ভারত সফর নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য মতবিনিময়ের পর সফর আয়োজনের প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হয়েছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমরা মনে করি, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।’এ জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।শহীদুল করিম বলেন, শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দোষী সাব্যস্ত করেছে। এ পরিস্থিতিতে তাঁর ও অন্যান্য পলাতক ব্যক্তির প্রত্যর্পণকে ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করছে বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের ‘অনুকূল পরিবেশ’ নেই: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়