ঢাকা    শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: জাহেদ উর রহমান

বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: জাহেদ উর রহমান

ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, এ ঘটনায় ইতালি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জাহেদ উর রহমান।উপদেষ্টা বলেন, আমি আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল মনে করি না, এটি একটি মাফিয়া গ্যাং।অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, একটি মাফিয়া গ্যাংয়ের হামলার শিকার হওয়া প্রমাণ করে যে বাঁধন সঠিক পথেই ছিলেন।স্থানীয় সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতালির ভেনিসে অবস্থানকালে একদল প্রবাসী বাঁধনকে লক্ষ্য করে পানি ও পচা ডিম নিক্ষেপ করেন বলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে জানান তিনি। এ সময় তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বাঁধন।বাঁধনের অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার কারণে ভেনিস আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পরিচয়দানকারী কয়েকজন নেতাকর্মী তাঁর ওপর এ হামলা চালিয়েছেন।ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে বাঁধনের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছেন। একপর্যায়ে সঙ্গে থাকা তাঁর ভাই তাঁকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে এসে বাঁধন বলেন, তিনি তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলেন। সেখানে কয়েকজন বাঙালি তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন এবং তাঁর গায়ে পানি ও কোক ছুড়ে মারেন। তাঁর ভাইয়ের ছোট শিশুও সেখানে ছিল বলে জানান তিনি।বাঁধন বলেন, ‘আমার গায়েও হাত তুলেছে, আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে।’তিনি আরও বলেন, হামলাকারীরা তাঁকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ বলে উল্লেখ করেন। বাঁধন বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি জুলাইযোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি।’বাঁধনের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা নিজেদের বঙ্গবন্ধুর সৈনিক বলে পরিচয় দেন এবং তাঁকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করেন। তাঁরা এসব ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভও করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন বাঁধন। ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে তিনি দেশটিতে গেছেন।

জুলাই শহীদদের কারণেই ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই শহীদদের অবদানের কারণেই দেশের মানুষ ফ্যাসিস্টদের থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জীবন দেওয়া মানুষের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও জানিয়েছেন তিনি।শনিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এবং গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নই, বরং আপনারাই হচ্ছেন আমাদের শক্তি, উৎসাহ ও উদ্দীপনার উৎস।’তিনি বলেন, নানা বাস্তবতার কারণে অনেক সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী সবকিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। তবে প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার পিছিয়ে যাবে না।প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যেসব মানুষ জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সরকার থাকবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।৭৪ পরিবারের সদস্য পেলেন নিয়োগপত্রঅনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের ৭৪ সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সব সময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন।শহীদ ও নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের মূল্যায়ন এবং তাঁদের প্রত্যাশা পূরণে সরকার কাজ করে যাবে।

জুলাই শহীদদের কারণেই ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই আন্দোলনে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে ২২ আগস্ট স্মরণসভা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও অবদান তুলে ধরতে আগামী ২২ আগস্ট ঢাকায় একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্মরণসভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শনিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি তাঁর সঙ্গে দেখা করে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান বলে জানা গেছে।আয়োজকেরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ও অবদানের পাশাপাশি তাঁদের যথাযথ স্বীকৃতির বিষয়টি স্মরণসভায় গুরুত্ব পাবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হবে।মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।স্মরণসভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, তাঁদের ভূমিকা এবং আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জুলাই আন্দোলনে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে ২২ আগস্ট স্মরণসভা

জামায়াতের জুলাই প্রদর্শনীতে ছাত্রদল নেতা আবিদের সেই আহ্বান

রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবন ‘লাল বাড়ি’তে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ‘জুলাই এখনও শেষ হয়নি’ শীর্ষক স্থিরচিত্র প্রদর্শনী চলছে। প্রদর্শনীতে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান আবিদের ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চাঁনখারপুলে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে আবিদুল ইসলাম খান আবিদ বলেছিলেন, ‘প্লিজ কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না।’ তাঁর এই আহ্বান সে সময় আন্দোলনকারীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বাক্যটি পরিচিত হয়ে ওঠে একটি আবেগঘন স্লোগান ও আকুতি হিসেবে।জামায়াত আমিরের সরকারি বাসভবন ‘লাল বাড়ি’তে আয়োজিত প্রদর্শনীতে আবিদের সেই সময়কার ভিডিওও দেখানো হচ্ছে। এতে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন ঘটনা ও আন্দোলনকারীদের ভূমিকার পাশাপাশি আবিদের ওই আহ্বানও তুলে ধরা হয়েছে।জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নএদিকে প্রদর্শনীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ স্থান পেলেও স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে পরিচিত জিয়াউর রহমানের ভূমিকার উল্লেখ না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে।শনিবার প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এর ব্যাখ্যা দেন।তিনি বলেন, প্রদর্শনীতে মূলত কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের ধারাবাহিকতা এবং এর বিরুদ্ধে মানুষের আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে কর্তৃত্ববাদী শাসক হিসেবে বিবেচনা না করায় তাঁর ভাষণ বা ভূমিকা প্রদর্শনীতে রাখা হয়নি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাসে যার যে কল্যাণকর অবদান রয়েছে, তা স্বীকার করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। প্রদর্শনীতে ইতিহাসকে নির্মোহ ও বাস্তবভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

জামায়াতের জুলাই প্রদর্শনীতে ছাত্রদল নেতা আবিদের সেই আহ্বান

জুলাইসহ বিভিন্ন আন্দোলনে আত্মত্যাগের লক্ষ্য ছিল উন্নত বাংলাদেশ গড়া: প্রধানমন্ত্রী

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ আরও ভালোভাবে বসবাস করতে পারবে।শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি জানান।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেউ জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন, আবার কারও আপনজন ওই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই বাংলাদেশের মানুষ আজ একটি মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে পারছে।‘আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল’১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত দেশের মানুষের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এসব আত্মত্যাগের পেছনে একটি অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ছিল- বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।তিনি বলেন, ‘যাদের আমরা হারিয়েছি, যারা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল; সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’‘দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ’রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বাস্তবতার নিরিখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।তিনি বলেন, ‘আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়। বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের মূল্যায়ন অব্যাহত থাকবেপ্রধানমন্ত্রী জানান, জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

জুলাইসহ বিভিন্ন আন্দোলনে আত্মত্যাগের লক্ষ্য ছিল উন্নত বাংলাদেশ গড়া: প্রধানমন্ত্রী

হাসিনা কার্ড বন্ধ না হলে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কঠিন: সালাউদ্দিন

ভারত একদিকে শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দেবে, অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইবে- এ দুটি বিষয় একসঙ্গে চলতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে গণঅভ্যুত্থান-২০২৪-এর দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়। তবে এ সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক মর্যাদা, সম্মান ও দুই দেশের সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা হবে।শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং সেখান থেকে তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভারত সরকার যদি সত্যিই বাংলাদেশের বৈধ সরকারের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার বক্তব্য সমর্থন না করে, তাহলে তাঁকে ভারতের মাটিতে বারবার সভা ও বিশ্বমিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে কেন?তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী এবং দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা রয়েছে। তাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রয়োজন। তবে কোনো দেশের প্রভুত্ব মেনে নেওয়া হবে না।‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে’জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ওসমান, আবু সাঈদসহ নিহতদের স্মরণ করে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার ও সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে।তিনি বলেন, ৫ আগস্টের অর্জন কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর নয়; এটি গণতন্ত্রকামী মানুষের দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ফল। এর মূল লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র ও মানুষের সাংবিধানিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা।আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ আদালত নির্ধারণ করবেআওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংগঠন হিসেবে দলটির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা আদালতের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। আইসিটি আইনে অপরাধী সংগঠনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা, কার্যক্রম স্থগিত বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তসহ বিভিন্ন ব্যবস্থার বিধান রয়েছে।তিনি জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীদের বিচারও চলমান রয়েছে।‘চেতনা বিক্রির রাজনীতি আর চলবে না’জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিজেদের করে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টার সমালোচনা করে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘চেতনা বিক্রির রাজনীতি’ বাংলাদেশে ব্যর্থ হয়েছে।তাঁর ভাষ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আকস্মিক কোনো ঘটনা নয়; দীর্ঘ ১৭ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের ফল। মাত্র ৩৬ দিনের আন্দোলনকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখলে আগের দীর্ঘ আন্দোলনের ইতিহাস অস্বীকার করা হবে।

হাসিনা কার্ড বন্ধ না হলে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কঠিন: সালাউদ্দিন

জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। এ দিনের চেতনা ও গণআকাঙ্ক্ষা থেকে দেশকে বিচ্যুত করার কোনো চেষ্টা হলে জনগণ তা প্রতিহত করবে।মঙ্গলবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলা ভূখণ্ডের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও বিজয়ের ধারাবাহিকতার প্রতীক ৫ আগস্ট। তিনি পলাশীর যুদ্ধ, ফরায়েজি আন্দোলন, তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা, মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহের উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করলেও প্রত্যাশিত ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি।বাণীতে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ধারাবাহিকতায় কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলি চালানোর ঘটনা থেকেই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সূত্রপাত ঘটে। ছাত্র, শ্রমিক, শিক্ষক, আলেম, আইনজীবী, নারী, সাংবাদিক, প্রবাসী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণে ওই আন্দোলন সফল হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বিপ্লবের দুই বছর পরও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত পরিবর্তন বাস্তবায়িত হয়নি। সরকারের দলীয়করণ, সংস্কারবিরোধী অবস্থান, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও প্রশাসনিক অদক্ষতার সমালোচনা করে তিনি গণভোটে দেওয়া জনরায়ের ভিত্তিতে দ্রুত সংস্কার বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে এবং ২০২৪ সালের ঘটনাসহ সব গণহত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।বাণীর শেষাংশে নাহিদ ইসলাম শহীদদের স্মরণ করে অন্যায়, অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে: নাহিদ ইসলাম

উদ্বোধন হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করেছেন। সকাল ৯টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি জাদুঘরের উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সেখানে সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারক পরিদর্শন করেন।অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাঁথা ও আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করেন জুলাইযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ ও বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। সাংস্কৃতিক পর্বে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি বিশেষ অতিথি ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। আগামী ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বড়দের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। ওই দিন তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।এর তিন দিন পর, ৮ আগস্ট অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। পরে সেই সরকারের উদ্যোগে গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

উদ্বোধন হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

গণভোটের রায় কার্যকরের আহ্বান, সংস্কার ইস্যুতে বিএনপির সমালোচনায় গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিএনপি ‘জুলাইয়ের ইতিহাস ভুলতে বসেছে’ এবং দলটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করছে না। তিনি অভিযোগ করেন, ৩৬ জুলাই উপলক্ষে বিএনপির দলীয় কোনো কর্মসূচি ছিল না এবং ক্ষমতায় আসার পর দলটি জুলাইয়ের চেতনাকে অস্বীকার করেছে।সোমবার বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তাঁর দাবি, সংস্কার ইস্যুতে যে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা বিএনপিকেই সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন, সংসদে বিষয়টির নিষ্পত্তি না হলে গণভোটের পক্ষে থাকা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ১১-দলীয় ঐক্য রাজপথে কর্মসূচি দেবে।বিএনপির একজন মন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, সংস্কারের প্রতি সমর্থন ছিল কেবল নির্বাচন আয়োজনের উদ্দেশ্যে। তাঁর ভাষ্য, জনগণ রাষ্ট্রব্যবস্থার পরিবর্তন চেয়েছে, শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়। তাই বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রয়োজন।জনসভায় সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেরও সমালোচনা করেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখল, দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বিএনপির মহাসচিবের একটি বক্তব্য উল্লেখ করে সরকারের কার্যক্রমের সমালোচনা করেন।সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, জুলাই বিপ্লবের উদ্দেশ্য ছিল রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। তিনি সরকারের প্রতি গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সংবিধান সংস্কারের পরিবর্তে সংশোধনের কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। একই ধরনের বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি। তিনি বলেন, জুলাই শহীদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি গণহত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি, কর্মপরিষদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি, অধ্যাপক মোকাররম হোসাইন খান, ড. মোবারক হোসাইন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাসহ জুলাইয়ে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা।জনসভার সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির।

গণভোটের রায় কার্যকরের আহ্বান, সংস্কার ইস্যুতে বিএনপির সমালোচনায় গোলাম পরওয়ার

৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আগামীকাল বুধবার উদ্বোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের ফলক উন্মোচনের পর বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করবেন। সেখানে সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারক দেখবেন।তিনি জানান, উদ্বোধনের দিন জাদুঘরে প্রবেশাধিকার থাকবে বিশেষ অতিথি ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য। আগামী ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘর উন্মুক্ত করা হবে।সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস, শহীদ ও জুলাইযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেবেন। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, মানুষের অংশগ্রহণ ও বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে।অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও বিভিন্ন পরিবেশনার আয়োজন থাকবে বলেও জানান তিনি।জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনে টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বড়দের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর