ঢাকা    বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
আজ সন্ধ্যায় শপথ নেবেন ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

আজ সন্ধ্যায় শপথ নেবেন ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

বঙ্গভবনের দরবার হলে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শপথ নেবেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর ধারা ১১ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর বিধি ১২(৬) অনুযায়ী তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে ভোট গণনা শেষে মির্জা ফখরুলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। অন্যদিকে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। বৈধ ব্যালটের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল।নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নির্বাচনি কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণার ভিত্তিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।স্পিকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নির্বাচনএর আগে ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। একই দিন সংবিধানের বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।এরপর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে মির্জা ফখরুল সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আজ বঙ্গভবনে শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণভাবে দেখছে সরকার: জামায়াত নেতা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণকে সরকার উদার ও গণতান্ত্রিক দৃষ্টিতে না দেখে রাজনৈতিক সংকীর্ণতার সঙ্গে মূল্যায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকারের একজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য বলেছেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল রেখে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিরোধী দলের সংবিধান সংস্কার পরিষদে নেওয়া শপথ আর টেকে না। এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য হলে সংসদ সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথ কীভাবে বৈধ থাকে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।তিনি বলেন, ২০২৬ সালে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় কোনো সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।জামায়াতের এই নেতা দাবি করেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ছিল সরকারের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ। একই সঙ্গে এটি গণতান্ত্রিক চর্চার একটি নতুন উদ্যোগ।হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নির্বাচনের ফলাফল কী হবে, তা বিরোধী দল আগে থেকেই জানত। এরপরও জনগণের সামনে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং গণতন্ত্রের দাবি জোরালো করার জন্য তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।তাঁর মতে, এর মাধ্যমে জনগণের মধ্যে নতুন করে উপলব্ধি তৈরি হয়েছে যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই করতে সংবিধান সংস্কার প্রয়োজন।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণভাবে ব্যাখ্যা না করে এর গণতান্ত্রিক বার্তা উপলব্ধি করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।তিনি আরও বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে কোনো সরকারই দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে না।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীদের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণভাবে দেখছে সরকার: জামায়াত নেতা

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে প্রধানমন্ত্রীর লাল গোলাপের শুভেচ্ছা

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম পেয়েছেন ৮৮ ভোট।দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট শেষে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। তাঁদের মধ্যে তিনজন ভোট দিতে পারেননি। তাঁরা হলেন ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে প্রধানমন্ত্রীর লাল গোলাপের শুভেচ্ছা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট শেষ, ফল ঘোষণা কিছুক্ষণ পর

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদে ভোট গ্রহণ চলে। এখন ভোটের ফলাফল ঘোষণা করার প্রস্তুতি চলছে।নির্বাচনি কর্তা এ এমএম নাসির উদ্দিন কিছুক্ষণের মধ্যে ভোটের ফল ঘোষণা করবেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরদিনই নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, ২১ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি কায়সার কামাল।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ফল ঘোষণার পরই দেশের নতুন রাষ্ট্রপতির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যাবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট শেষ, ফল ঘোষণা কিছুক্ষণ পর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইসলামী আন্দোলনের

জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে হওয়া ঐকমত্য থেকে সরে আসার অভিযোগ তুলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতির পদ অলংকারিক হলেও জাতীয় সংকট ও জাতীয় নির্বাচনের সময় রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি জাতীয় ঐক্য ও আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবের ভাষ্য, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল। এসব বিষয়ে বিএনপির কোনো নোট অব ডিসেন্টও ছিল না। জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে তাঁরা প্রত্যাশা করেছিলেন। তা না হওয়ায় এই নির্বাচনে ভোট দেওয়া সমীচীন মনে করছেন না তাঁরা।তিনি বলেন, জুলাই সনদের ১০ নম্বর ধারায় আইনসভার উভয় কক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সংশ্লিষ্ট সবাই একমত হয়েছিল। একইভাবে ২৮ নম্বর ধারায় অর্থ বিল ও আস্থাভোট ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়েও কোনো নোট অব ডিসেন্ট ছিল না।গাজী আতাউর রহমানের অভিযোগ, বর্তমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া ওই দুটি বিষয়ই মানা হচ্ছে না। তাঁর ভাষায়, এটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে ‘গাদ্দারি’।রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকায় কে রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, তা আগে থেকেই নিশ্চিত। তাহলে এ ধরনের নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা কী—সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান যাঁর নাম ঘোষণা করবেন, তাঁকেই বঙ্গভবনে নিয়ে গিয়ে দায়িত্ব দিলেই হতো। তাঁর মতে, বর্তমান প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশন, সংসদ সদস্য ও সংসদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং এতে জনগণের অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদাও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিন্দা জানিয়ে জুলাই সনদ অনুযায়ী নতুন করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান গাজী আতাউর রহমান।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইসলামী আন্দোলনের

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ভোটের মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সংবিধানের সংশ্লিষ্ট বিধান পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে মত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদে ভোট গ্রহণ চলবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।ডেপুটি স্পিকার কেন শপথ পড়াবেননতুন রাষ্ট্রপতিকে কে শপথ পড়াবেন, এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়। পরে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট বিধান পর্যালোচনা করে মতামত দেয় মন্ত্রণালয়।আইন মন্ত্রণালয়ের মতে, বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। এ কারণে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ানোর ক্ষেত্রেও ডেপুটি স্পিকার সাংবিধানিকভাবে যথাযথ কর্তৃপক্ষ।ভোট দেবেন ৩৪৯ সংসদ সদস্যত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মোট ৩৪৯ জন সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন। তাঁদের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ জন সদস্য রয়েছেন।চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা ও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার সুযোগ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বাতিল করায় আসনটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে।সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে একাধিক প্রার্থী থাকায় সংবিধান অনুযায়ী ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।শুক্রবার বঙ্গভবনে শপথভোট গ্রহণ শেষে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান হবে। শপথ অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতিসহ রাষ্ট্র ও সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।সর্বশেষ ভোট হয়েছিল ১৯৯১ সালেদেশে সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি পদে সংসদে ভোট হয়েছিল ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাসের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরুদ্দোজা চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।আব্দুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বদরুদ্দোজা চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট।

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, আজ ভোট দেবেন ৩৪৯ সংসদ সদস্য

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট দেবেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম।সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন। স্পিকারের দায়িত্বে থাকা জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন।শপথের পরপরই রেওয়াজ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ নতুন রাষ্ট্রপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ননির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসিরউদ্দিন বুধবার সাংবাদিকদের জানান, ভোটের সময় কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না।ভোট দেওয়ার সময় কোনো তাৎক্ষণিক সমস্যা দেখা দিলে চিফ হুইপ ও বিরোধী দলের চিফ হুইপের সহযোগিতা নেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।যেভাবে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরানির্বাচনের দিন সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। নিজ নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নাম ও বিভক্তি নম্বরসংবলিত ব্যালট পেপার সংগ্রহ করবেন ভোটাররা।ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে। কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে গেলে সেটি ব্যালট বাক্সে দেওয়ার আগে নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে হবে। এরপর নির্বাচন কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।বিকেল ৫টায় ভোট গণনাবিকেল পাঁচটায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে। সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচন কর্মকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।সিইসি এএমএম নাসিরউদ্দিন বলেন, ঐতিহাসিক এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।সিইসি বলেন, ১৯৯১ সালের পর প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রপতি পদে এ ধরনের ভোট গ্রহণ হচ্ছে।

৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, আজ ভোট দেবেন ৩৪৯ সংসদ সদস্য

২০ আগস্ট সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন ৩৪৯ সংসদ সদস্য

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে। নির্বাচনের সময় কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণার সুযোগ থাকবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।বুধবার নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সিইসি।এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘ঐতিহাসিক এ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই। আশা করি, একটি সুন্দর নির্বাচন হবে। বিশ্ববাসী এ নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে।’১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘এটা আমার জন্য ভাগ্যের বিষয়।’প্রচার-প্রচারণার সুযোগ নেইরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সিইসি। তিনি বলেন, নির্বাচনী স্থানে উপস্থিত থেকে কোনো ধরনের প্রচার বা প্রচারণা চালানো যাবে না।গত ২৪ জুলাই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ২২তম রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে একই দিন পদটি শূন্য হয়। এরপর ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ।ভোট দেবেন ৩৪৯ সংসদ সদস্যরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা ভোট দেবেন। চট্টগ্রাম-৪ আসন শূন্য থাকায় এবার মোট ভোটার ৩৪৯ জন।আগামী বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা সরাসরি ভোটদান ও ভোট গণনা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের ভোটদান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভোটগ্রহণের পর সম্প্রচার সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও ফলাফল ঘোষণার সময় তা আবার সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।ভোটগ্রহণ শেষে সংসদ ভবনের বৈঠককক্ষে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করবেন সিইসি। একই দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

২০ আগস্ট সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন ৩৪৯ সংসদ সদস্য

সংবিধান মেনেই পথ চলতে হবে: গয়েশ্বর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে সংবিধান অনুযায়ীই দেশ পরিচালনার পথ অনুসরণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।গয়েশ্বর বলেন, ‘আমাদের প্রচলিত সংবিধান অনুযায়ী পথ চলতে হবে। যেখানে বাধা আছে, সেই বাধা অতিক্রম করার জন্য জাতীয় সংসদ থেকে সংবিধান সংশোধন করতে হবে।’এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে গয়েশ্বর জানান, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।তিনি বলেন, ‘এখন আমরা ২০ আগস্ট নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করব।’সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গয়েশ্বর বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে এ বিষয়টি অবান্তর। এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে কোনো লাভ নেই।সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি পরবর্তী বিষয়। পরবর্তী সংসদ প্রয়োজন মনে করলে সবাই মিলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এদিকে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রমের পক্ষেও একটি প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। পরে তারা জানায়, অলি আহমেদের মনোনয়নপত্র বৈধ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।রোববার সকাল ১১টা থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা। আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সংবিধান মেনেই পথ চলতে হবে: গয়েশ্বর

মির্জা ফখরুল এখনো বিএনপির মহাসচিব

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখনো দলের মহাসচিবের দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়ার পরও মির্জা ফখরুল দলীয় মহাসচিব বা স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেননি।শুক্রবার রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীকে প্রথমে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাই করে প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করার পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত পদত্যাগের কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই।তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখনো মহাসচিব। তিনি এখনো মন্ত্রী, এখনো স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।’‘২০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন’মির্জা ফখরুলের পদত্যাগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবর ও গুঞ্জন প্রসঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান ডা. জাহিদ।তিনি বলেন, ‘অহেতুক গুঞ্জন না ছড়িয়ে একটু ধৈর্য ধরুন। যেমন আপনারা ধৈর্য ধরেছিলেন কে বিএনপির প্রার্থী হবেন। আলহামদুলিল্লাহ, গতকাল প্রধানমন্ত্রী আমাদের সবাইকে নিয়ে ঘোষণা করেছেন আমাদের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিএনপি এবং আমাদের সংসদীয় গ্রুপ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত করা হয়েছে। তিনি মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।’তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা ২০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। ভোট হোক, শপথের আগে পদত্যাগ আসবে। শপথের আগ পর্যন্ত পদত্যাগ করার কোনো সাংবিধানিক এবং নির্বাচন কমিশনের বাধ্যবাধকতা নেই।’মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন প্রসঙ্গে যা বললেনমির্জা ফখরুলের সম্ভাব্য পদত্যাগের পর মন্ত্রিসভা বা দলের দায়িত্বে পরিবর্তন আসবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন মনে করলে দায়িত্বে পরিবর্তন আনতে পারেন। জনগণের জন্য আরও ভালোভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রী যখন যাকে প্রয়োজন মনে করবেন, তখন পরিবর্তন আনতে পারেন। সংবিধান ও সংসদ প্রধানমন্ত্রীকে এ ক্ষমতা ও দায়িত্ব দিয়েছে।আগের বক্তব্যে ভিন্ন তথ্যমির্জা ফখরুলের পদত্যাগের বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এর আগে ভিন্ন তথ্য দেওয়া হয়েছিল।গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিএনপির পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার পর মির্জা ফখরুল বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।এর একদিন পর ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সেই পদত্যাগের খবরকে ‘গুঞ্জন’ হিসেবে উল্লেখ করলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট ও শপথের আগে মির্জা ফখরুলের পদত্যাগের কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই।

মির্জা ফখরুল এখনো বিএনপির মহাসচিব

মেয়র থেকে মন্ত্রী, এবার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে ফখরুল

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থী হওয়ার পর তিনি বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।রিজভী জানান, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মির্জা ফখরুল মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৭২ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন। ঢাকা কলেজসহ কয়েকটি সরকারি কলেজে অর্থনীতি বিষয়ে শিক্ষকতা করেন তিনি।১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন মির্জা ফখরুল। ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি হন।২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরে খালেদা জিয়ার সরকারের কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।দলের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে মির্জা ফখরুল ২০০৯ সালের বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর তাঁকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়। ২০১৬ সালের জাতীয় কাউন্সিলে তিনি বিএনপির পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচিত হন। এরপর থেকে তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন।২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও-১ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী হন। বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচিত হলেও পরে শপথ না নেওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।ব্যক্তিগত জীবনে রাহাত আরা বেগমের সঙ্গে বিবাহিত মির্জা ফখরুল। তাঁদের দুই মেয়ে রয়েছে। তাঁর বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী ও সংসদ সদস্য। চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন বিএনপি নেতা, সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার।রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু হলো।

মেয়র থেকে মন্ত্রী, এবার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে ফখরুল

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম চূড়ান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তাঁর প্রার্থিতা চূড়ান্ত করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৈঠক শেষে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হয়েছেন দলের সংগ্রামী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।’রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ার পর বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ থেকে মির্জা ফখরুল পদত্যাগ করেছেন বলেও জানান রিজভী।আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে।এরই মধ্যে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর পক্ষে জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।ইসির তফসিল অনুযায়ী, ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট। একাধিক প্রার্থী থাকলে ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোট হবে।১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট আলাদা প্রার্থী দেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকছে না।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে পাঁচ বছর তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাঁকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি। ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তাঁকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়।১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল

আজ রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে বিএনপি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকেই রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থীর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তা নিয়ে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দলের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ ১৩ আগস্ট। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রার্থী চূড়ান্ত করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি।এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম আলোচনায় আসে। তবে তাঁর প্রার্থিতার বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট হবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

আজ রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে বিএনপি

দেশে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

দেশে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।রোববার দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতার মিন্টো রোডের বাসভবনে ১১ দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।বিএনপির অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, ক্ষমতার পালাবদলের সময় বিএনপি বিভিন্ন সময়ে নিজেদের হাতে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। এর ফলে দেশে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের পক্ষ থেকে অভিন্ন প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘১১ দল ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে। তাদের একজন অভিন্ন প্রার্থী থাকবেন। সেই প্রার্থী হিসেবে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।’সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দল প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন থেকেই তাঁকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরিয়ে জুলাই সনদ অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু তাঁকে আরও ছয় মাস পদে রাখা হয়েছে।নাহিদ ইসলাম বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতিকে কোনো ধরনের বিচারের আওতায় না এনে ‘ফ্রি এক্সিট’ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন তাঁর মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হলো এবং এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক পরিকল্পনা রয়েছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

দেশে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম