ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনে যুক্ত করতে একক নীতিমালার উদ্যোগ

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনে যুক্ত করতে একক নীতিমালার উদ্যোগ

দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে এ খাতের উন্নয়নে একটি একক নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাজ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।সোমবার সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানান।সভায় মন্ত্রী বলেন, দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটির মাধ্যমে সাংস্কৃতিক পর্যটনের জন্য একটি একক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। শিগগিরই দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হবে বলেও জানান তিনি।সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, দেশটির পর্যটন ও সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। মালয়েশিয়া ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের পাশাপাশি সেগুলোকে পর্যটন ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করে যেভাবে কাজ করছে, বাংলাদেশেও একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে এই অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।পরিকল্পনার প্রথম ধাপে দেশের ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িগুলোকে পর্যটনের আওতায় আনার কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি কক্সবাজার থেকে ময়নামতী পর্যন্ত বিস্তৃত বৌদ্ধ নিদর্শনগুলোও এ উদ্যোগের আওতায় নেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য পর্যটন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রকে যুক্ত করা হবে।সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বিশ্বের অনেক ছোট দেশ পর্যটনকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালদ্বীপ এর উদাহরণ।তিনি বলেন, পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাজ একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। দেশের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিশ্বের সামনে তুলে ধরার মাধ্যমে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব।

ছায়ানটে ‘অন্তর্দাহ’, গান-কবিতা-নৃত্যে সময়ের যন্ত্রণা

সময় ও সংস্কৃতির অন্তর্দাহ, গভীর শোক, প্রেম-বিরহ এবং অশুভের বিরুদ্ধে মানুষের চিরন্তন প্রত্যয়কে শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমে তুলে ধরতে বিশেষ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করেছে ‘২৭ ধানমন্ডি- গাই বাংলার গান পর্ষদ’।‘অন্তর্দাহ’ শিরোনামের অনুষ্ঠানটি আগামীকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।আয়োজকেরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানে আবহমান ঋতুর গান, প্রেম ও বিরহের গান এবং আবৃত্তি পরিবেশন করা হবে। পাশাপাশি অশুভকে দূরে সরিয়ে শুভ ও মানবিক সমাজ গড়ার প্রত্যয় তুলে ধরে থাকবে বিশেষ নৃত্য পরিবেশনা।গান, কবিতা ও নৃত্যের সমন্বয়ে সময়ের যন্ত্রণা, মানুষের অনুভূতি এবং সংস্কৃতির শক্তিকে মঞ্চে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মানুষের মনন, মূল্যবোধ ও মানবিক বোধ বিকাশে সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সমাজে তৈরি হওয়া অসহিষ্ণুতা ও সাংস্কৃতিক শূন্যতার বিপরীতে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই ‘অন্তর্দাহ’ আয়োজন করা হয়েছে।

ছায়ানটে ‘অন্তর্দাহ’, গান-কবিতা-নৃত্যে সময়ের যন্ত্রণা

বিনা মূল্যে তিন দিনের চলচ্চিত্র উৎসব, দেখানো হবে ছয় সিনেমা

‘সবার জন্য চলচ্চিত্র, সবার জন্য শিল্প-সংস্কৃতি’ প্রতিপাদ্যে রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। ‘চলচ্চিত্র উৎসব: একাল-সেকাল’ শিরোনামের এ উৎসব শুরু হবে আগামী ৯ আগস্ট। চলবে ১১ আগস্ট পর্যন্ত।রাজধানীর জাতীয় চলচ্চিত্র মিলনায়তনে আয়োজিত উৎসবে বিভিন্ন সময়ের ছয়টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। দর্শকের জন্য সব প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে এবং কোনো প্রবেশমূল্য লাগবে না।উৎসবের প্রথম দিন ৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায় প্রদর্শিত হবে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘রইদ’। কোরবানির ঈদে মুক্তির পর দেশ-বিদেশে প্রশংসিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি।একই দিন রাত ৮টায় দেখানো হবে জহির রায়হান পরিচালিত কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’। এতে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, সুচন্দা, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান, রওশন জামিল ও আনোয়ার হোসেনসহ দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা।উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রদর্শিত হবে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘আবার তোরা মানুষ হ’। এরপর রাত ৮টায় দর্শকের জন্য থাকছে মোহাম্মদ নূরুজ্জামান নির্মিত ‘মাস্তুল’।শেষ দিন ১১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রদর্শিত হবে আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘দুই পয়সার আলতা’। রাত ৮টায় সমাপনী চলচ্চিত্র হিসেবে দেখানো হবে আকাশ হক পরিচালিত ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’।সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এ উৎসবের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ।

বিনা মূল্যে তিন দিনের চলচ্চিত্র উৎসব, দেখানো হবে ছয় সিনেমা

উদ্বোধন হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করেছেন। সকাল ৯টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি জাদুঘরের উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি সেখানে সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারক পরিদর্শন করেন।অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরত্বগাঁথা ও আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করেন জুলাইযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ ও বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। সাংস্কৃতিক পর্বে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, উদ্বোধনের দিন জাদুঘরটি বিশেষ অতিথি ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। আগামী ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বড়দের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। ওই দিন তার সরকারি বাসভবন গণভবনে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।এর তিন দিন পর, ৮ আগস্ট অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। পরে সেই সরকারের উদ্যোগে গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

উদ্বোধন হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আগামীকাল বুধবার উদ্বোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের ফলক উন্মোচনের পর বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করবেন। সেখানে সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারক দেখবেন।তিনি জানান, উদ্বোধনের দিন জাদুঘরে প্রবেশাধিকার থাকবে বিশেষ অতিথি ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য। আগামী ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘর উন্মুক্ত করা হবে।সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস, শহীদ ও জুলাইযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেবেন। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, মানুষের অংশগ্রহণ ও বিজয়ের ইতিহাস নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে।অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও বিভিন্ন পরিবেশনার আয়োজন থাকবে বলেও জানান তিনি।জাদুঘরে প্রবেশের জন্য অনলাইনে টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বড়দের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর