ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক



চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক
চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক

লালমনিরহাটের আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক চার দিন ধরে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছেন। গত সোমবার বয়ে যাওয়া ঝড় ও বজ্রপাতে পল্লী বিদ্যুতের একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় এ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চার দিন আগে ঝড়-বজ্রপাতে আদিতমারী-২ সাব-স্টেশন (হাজীগঞ্জ)-এর প্রধান ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়। এতে দুই উপজেলার কমলাবাড়ী, পলাশী, ভেলাবাড়ী, গোড়ল, চলবলা এবং দুর্গাপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। এ ঘটনার পর প্রায় ৯২ ঘণ্টা পার হলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকায় তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। অনেকে ফসলের খেতে পানি দিতে পারছে না। মোবাইল ফোন চার্জ করা যাচ্ছে না। স্থবির হয়ে পড়েছে ব্যবসাবাণিজ্য। দৈনন্দিন কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে সংরক্ষিত খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। আদিতমারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মুহাম্মদ আবদুল ফাত্তাহ জানান, বজ্রপাতে ১০ এমবিএ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়। এরপর থেকে প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে রয়েছেন। ঢাকা থেকে নতুন ট্রান্সফরমার আনা হয়েছে। প্রতিস্থাপনের কাজ চলছে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে। আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গুঞ্জন বিশ্বাস বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

বিষয় : চার দিন অন্ধকার ২২ হাজার গ্রাহক

দৈনিক নবকাল

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

লালমনিরহাটের আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক চার দিন ধরে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছেন। গত সোমবার বয়ে যাওয়া ঝড় ও বজ্রপাতে পল্লী বিদ্যুতের একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় এ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চার দিন আগে ঝড়-বজ্রপাতে আদিতমারী-২ সাব-স্টেশন (হাজীগঞ্জ)-এর প্রধান ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়। এতে দুই উপজেলার কমলাবাড়ী, পলাশী, ভেলাবাড়ী, গোড়ল, চলবলা এবং দুর্গাপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। এ ঘটনার পর প্রায় ৯২ ঘণ্টা পার হলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকায় তীব্র পানি সংকট দেখা দিয়েছে। অনেকে ফসলের খেতে পানি দিতে পারছে না। মোবাইল ফোন চার্জ করা যাচ্ছে না। স্থবির হয়ে পড়েছে ব্যবসাবাণিজ্য। দৈনন্দিন কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে সংরক্ষিত খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। আদিতমারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মুহাম্মদ আবদুল ফাত্তাহ জানান, বজ্রপাতে ১০ এমবিএ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়। এরপর থেকে প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে রয়েছেন। ঢাকা থেকে নতুন ট্রান্সফরমার আনা হয়েছে। প্রতিস্থাপনের কাজ চলছে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে। আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গুঞ্জন বিশ্বাস বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
চার দিন অন্ধকারে ২২ হাজার গ্রাহক
0:00 0:00
1.0x