হলিউডের বক্স অফিসে সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। মুক্তির তৃতীয় সপ্তাহেও উত্তর আমেরিকার বাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিনেমাটি।
ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় সিনেমাটি আয় করেছে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সপ্তাহান্ত শেষে উত্তর আমেরিকার বাজারে এর আয় প্রায় ৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শুক্রবারের বক্স অফিসে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার ‘দ্য এন্ড অব ওক স্ট্রিট’। মুক্তির প্রথম দিনে উত্তর আমেরিকার ৩ হাজার ৪৪৬টি প্রেক্ষাগৃহ থেকে সিনেমাটি আয় করেছে ৮১ লাখ ডলার।
প্রতিদ্বন্দ্বী স্টুডিওগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার পর্যন্ত সিনেমাটির উত্তর আমেরিকার আয় প্রায় ১ কোটি ৮৭ লাখ ডলার হতে পারে। ৮ কোটি ডলারের বেশি বাজেটের সিনেমাটির জন্য এই সূচনা প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা কম।
তবে ধীরগতির শুরু হলেও দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে ‘দ্য এন্ড অব ওক স্ট্রিট’। রটেন টমেটোসে সিনেমাটির স্কোর ৮৪ শতাংশ এবং সিনেমাস্কোরের দর্শক জরিপে পেয়েছে ‘বি’ গ্রেড।
‘ইট ফলোজ’খ্যাত নির্মাতা ডেভিড রবার্ট মিচেল সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন। গল্পে দেখা যায়, শহরতলির একটি পরিবারের বসবাসের এলাকা হঠাৎ প্রাগৈতিহাসিক যুগে চলে যায়। এতে অভিনয় করেছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে, ইয়ান ম্যাকগ্রেগর, মেইসি স্টেলা, ক্রিশ্চিয়ান কনভেরি ও জর্ডান অ্যালেক্সা ডেভিস।
এদিকে চলতি সপ্তাহান্তে মুক্তি পাওয়া ‘প প্যাট্রোল: দ্য ডাইনো মুভি’ শুক্রবার ৭৩ লাখ ডলার আয় করে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। প্যারামাউন্টের অ্যানিমেটেড সিনেমাটি সপ্তাহান্তে প্রায় ২ কোটি ডলার আয় করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তৃতীয় সপ্তাহে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-এর আয় আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৫৩ শতাংশ কমেছে। এরপরও শীর্ষস্থান ধরে রাখার জন্য সেটিই যথেষ্ট হয়েছে। চলতি সপ্তাহান্তের আয় যোগ হলে উত্তর আমেরিকায় সিনেমাটির মোট আয় প্রায় ৭৮ কোটি ৩০ লাখ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
অন্যদিকে বক্স অফিসে শক্ত অবস্থানে রয়েছে ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’। গ্রিক মহাকাব্য অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি পঞ্চম সপ্তাহান্তের শুক্রবারে আয় করেছে আরও ৬৫ লাখ ডলার। সপ্তাহান্ত শেষে এর আয় প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ ডলার হতে পারে। এতে উত্তর আমেরিকায় সিনেমাটির মোট আয় প্রায় ৫০ কোটি ৪০ লাখ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।