ঢাকা    রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের একই প্ল্যাটফর্মে আনতে ডিসেম্বরে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ


মো: পলাশ তুষার পাঠান
মো: পলাশ তুষার পাঠান স্টাফ রিপোর্টার

চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের একই প্ল্যাটফর্মে আনতে ডিসেম্বরে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ
ছবি: সংগ্রহ

দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে আগামী ডিসেম্বরে ঢাকায় ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ ও ক্যারিয়ার ফেয়ারের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। পর্যায়ক্রমে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতার তথ্যের সঙ্গে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবলের চাহিদার সমন্বয় করা হবে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা এবং তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

মাহ্দী আমিন বলেন, তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং শ্রমবাজারের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশের বিপুল জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও তরুণদের মেধার বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, দেশের অগ্রগতির জন্য তারুণ্যের ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং তরুণদের সুপ্ত মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মাধ্যমেই এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের তথ্য থাকবে এক জায়গায়

মাহ্দী আমিন জানান, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের আওতায় একটি সমন্বিত জাতীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে। সেখানে কর্মক্ষম তরুণদের দক্ষতা ও যোগ্যতার তথ্যভান্ডার থাকবে। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জনবলের চাহিদার তথ্যও সংরক্ষণ করা হবে।

এই দুই পক্ষের তথ্য সমন্বয়ের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ তৈরি করা হবে। মূলধারার শিক্ষার বাইরে থাকা তরুণ-তরুণী এবং নতুন স্নাতকদের চাকরির বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থায় কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করাও এ উদ্যোগের অংশ।

সিভি লেখা থেকে সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মসংস্থান সহায়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, এর আওতায় সিভি লেখা, ব্যক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চাকরির সাক্ষাৎকার মোকাবিলার মতো বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সেবার সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

দক্ষ জনবল তৈরি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশব্যাপী নিয়মিত ক্যারিয়ার ফেয়ার আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। জেলা পর্যায়ে এসব মেলার মাধ্যমে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে কার্যকর যোগাযোগ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিদেশে যেতে আগ্রহী তরুণ-তরুণীদেরও এ প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে। নিবন্ধনের পর তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

মাহ্দী আমিন বলেন, চাকরিদাতা ও চাকরিপ্রার্থী—উভয় পক্ষই এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জে নিবন্ধন করতে পারবেন। সরকার এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে কোনো তরুণ নিজের ক্যারিয়ার লক্ষ্য জানালে তাঁকে প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষ ও সেবার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

ছয় মাস ধরে চলছে পরামর্শ

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গত ছয় মাস ধরে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও, সরকারি সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে বলে জানান মাহ্দী আমিন। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ডিসেম্বরে কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে কতজনের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা ও কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সবার স্বার্থ রক্ষায় উদ্যোগটির কৌশল ও পদ্ধতি নিয়ে কাজ চলছে।

কারখানা বন্ধ হলেও নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কলকারখানা বন্ধ হওয়া ও কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মাহ্দী আমিন বলেন, ওই সময়ের পর কিছু কারখানা বন্ধ হয়েছে। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের তুলনায় প্রকৃত সংখ্যা অনেক কম।

তিনি বলেন, কিছু কারখানা বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থান কমলেও নতুন বিনিয়োগ বাড়ছে, নতুন কারখানা চালু হচ্ছে এবং বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে।

বেকার ভাতা চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের প্রাথমিক অগ্রাধিকার তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা। তবে ভবিষ্যতে বেকার ভাতার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : কর্মসংস্থান এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

দৈনিক নবকাল

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের একই প্ল্যাটফর্মে আনতে ডিসেম্বরে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে আগামী ডিসেম্বরে ঢাকায় ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ ও ক্যারিয়ার ফেয়ারের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। পর্যায়ক্রমে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতার তথ্যের সঙ্গে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবলের চাহিদার সমন্বয় করা হবে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা এবং তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

মাহ্দী আমিন বলেন, তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং শ্রমবাজারের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশের বিপুল জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও তরুণদের মেধার বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, দেশের অগ্রগতির জন্য তারুণ্যের ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং তরুণদের সুপ্ত মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মাধ্যমেই এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের তথ্য থাকবে এক জায়গায়

মাহ্দী আমিন জানান, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের আওতায় একটি সমন্বিত জাতীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে। সেখানে কর্মক্ষম তরুণদের দক্ষতা ও যোগ্যতার তথ্যভান্ডার থাকবে। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জনবলের চাহিদার তথ্যও সংরক্ষণ করা হবে।

এই দুই পক্ষের তথ্য সমন্বয়ের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ তৈরি করা হবে। মূলধারার শিক্ষার বাইরে থাকা তরুণ-তরুণী এবং নতুন স্নাতকদের চাকরির বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থায় কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করাও এ উদ্যোগের অংশ।

সিভি লেখা থেকে সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতি

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মসংস্থান সহায়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মাহ্দী আমিন বলেন, এর আওতায় সিভি লেখা, ব্যক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং চাকরির সাক্ষাৎকার মোকাবিলার মতো বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সেবার সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

দক্ষ জনবল তৈরি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশব্যাপী নিয়মিত ক্যারিয়ার ফেয়ার আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে। জেলা পর্যায়ে এসব মেলার মাধ্যমে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে কার্যকর যোগাযোগ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিদেশে যেতে আগ্রহী তরুণ-তরুণীদেরও এ প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে। নিবন্ধনের পর তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

মাহ্দী আমিন বলেন, চাকরিদাতা ও চাকরিপ্রার্থী—উভয় পক্ষই এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জে নিবন্ধন করতে পারবেন। সরকার এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে কোনো তরুণ নিজের ক্যারিয়ার লক্ষ্য জানালে তাঁকে প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষ ও সেবার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

ছয় মাস ধরে চলছে পরামর্শ

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গত ছয় মাস ধরে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও, সরকারি সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে বলে জানান মাহ্দী আমিন। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ডিসেম্বরে কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে কতজনের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা ও কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সবার স্বার্থ রক্ষায় উদ্যোগটির কৌশল ও পদ্ধতি নিয়ে কাজ চলছে।

কারখানা বন্ধ হলেও নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কলকারখানা বন্ধ হওয়া ও কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মাহ্দী আমিন বলেন, ওই সময়ের পর কিছু কারখানা বন্ধ হয়েছে। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের তুলনায় প্রকৃত সংখ্যা অনেক কম।

তিনি বলেন, কিছু কারখানা বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থান কমলেও নতুন বিনিয়োগ বাড়ছে, নতুন কারখানা চালু হচ্ছে এবং বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে।

বেকার ভাতা চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের প্রাথমিক অগ্রাধিকার তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা। তবে ভবিষ্যতে বেকার ভাতার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাদের একই প্ল্যাটফর্মে আনতে ডিসেম্বরে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ
0:00 0:00
1.0x